Advertisement
WBState_Assembly_Elections_Lead0_03-05-26

হাড়োয়ায় হত এক, বাড়ছে হামলাও

সবং, খেজুরির পরে এ বার হাড়োয়া। ভোট-পর্বের মাঝে প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে রাজ্যে।

নিজস্ব সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০১৬ ০৪:০৭

সবং, খেজুরির পরে এ বার হাড়োয়া। ভোট-পর্বের মাঝে প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে রাজ্যে।

কলকাতার হাসপাতালে বুধবার মৃত্যু হল নুর ইসমলাম মিস্ত্রি (৪৫) নামে এক সিপিএম সর্মথকের। রাজারহাট থানার হাড়োয়া বিধানসভা এলাকার কীর্তিপুর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মহিসগদির বাসিন্দা নুরকে সোমবার রাতে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা মারধর করে বলে রাজারহাট থানায় অভিযোগ জানিয়েছিল তাঁর পরিবার। গুরুতর জখম নুরকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরে এ দিন তাঁর মৃত্যু হয়।

সিপিএমের অভিযোগ তৃণমূলের দিকেই। যদিও তৃণমূলের পাল্টা দাবি, ঘটনাটি গোষ্ঠী-বিবাদ জনিত। শাসক দলের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে এ দিন মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজারহাট, হাড়োয়ার বেলিয়াঘাটা, খড়িবাড়ির মতো বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা অবরোধ করেন বাম-কংগ্রেসের জোট কর্মীরা। ঘটনায় চনু ঘরামি নামে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশ পিকেট বসেছে।

বর্ধমানের কেতুগ্রামে কাঁচড়া গ্রামে এ দিনই সিপিএম এজেন্টদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। মেমারি, রায়না মন্তেশ্বর, আউশগ্রামেও সিপিএম সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি, মারধর, ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়ারও অভিযোগ আছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অশান্তির খবর আছে নদিয়ার শান্তিপুর, মদনপুর থেকেও।

ভোট-পর্ব যত এগোচ্ছে, বাড়ছে উত্তেজনা। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোট লুঠের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তৃণমূল বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালাচ্ছে। আবার বিরোধীরা যেখানে সম্ভব, সেখানেই পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। তাতে সংঘর্যের ঘটনাও বাড়ছে। হাড়োয়ার ঘটনার প্রসঙ্গে সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র এ দিন বলেছেন, ‘‘তৃণমূলের জমি হারানোর আতঙ্কই নুর ইসলাম মিস্ত্রির হত্যাকাণ্ডে স্পষ্ট। প্রতিবাদ হচ্ছে সর্বত্র। শহিদের রক্ত বৃথা যাবে না!’’ তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় আবার পাল্টা বলেছেন, ‘‘বিরোধীরা প্ররোচনা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। মানুষ এতে পা দেবেন না।’’

Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy