রোদের তাপে ত্বকে শুধু জ্বালা ধরে না, বলিরেখাও পড়ে। গরমের সমস্যা এক নয়, একাধিক। রোদের তাপে মুখ লাল হয়ে যেতে পারে, রুক্ষও হয়ে যেতে পারে ত্বক। আর তারই জন্য দরকার বিশেষ যত্ন। প্রবল গরমে ত্বক সজীব এবং প্রাণবন্ত রাখতে দরকার এমন কিছু, যা গভীর ভাবে ত্বককে আর্দ্রতা জোগাবে, দেবে আরাম। বাজারচলতি এমন অনেক প্রসাধনী রয়েছে। তবে চাইলে চটজলদি বানিয়ে ফেলতে পারেন ঘরোয়া মাস্ক। বানিয়ে নিতে পারেন মাসাজ় ক্রিম, তাও হাতের কাছে থাকা নানা উপকরণেই।
মুলতানি মাটির ফেস প্যাক: খনিজসমৃদ্ধ মুলতানি মাটির গুণ অনেক। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা যেমন দূর করতে পারে এই মাটি, তেমনই কালচে ভাব দূর করতেও সাহায্য করে। তা ছাড়া, মাটির পরশে ত্বকের জ্বালাপোড়া ভাবও কমে। ২ টেবিল চামচ মুলতানি মাটির সঙ্গে ১ টেবিল চামচ চন্দনগুঁড়ো, ২ টেবিল চামচ গোলাপজল, ১ টেবিল চামচ দুধ মিশিয়ে প্যাক বানিয়ে নিন। মুখ পরিষ্কার করার পরে সেটি মাখতে হবে।
গোলাপ জল এবং মধু: ২ টেবিল চামচ গোলাপজলের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নিয়ে, সেটি লাগাতে হবে রোদে পুড়ে যাওয়া অংশে। মিশ্রণটি মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন। রোদে ত্বকের কতটা অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কতটা অংশ কালো হয়েছে, তার উপর নির্ভর করবে কতটা দ্রুত সেই দাগ উঠবে। হালকা সান ট্যানে এই টোটকা কার্যকর হলেও, সান বার্ন হলে কিন্তু চিকিৎসার প্রয়োজন।
অ্যালো ভেরা এবং ভিটামিন ই: গরমকালে আর্দ্রতা বেশি থাকায় ঘাম বেশি হয় ঠিকই। তবে সূর্যের অতিবেগনি রশ্মির প্রভাবে এই সময়েও ত্বক রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। তা ছাড়া, দিনভর এসি ঘরে থাকলেও, ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। এমন সমস্যার সমাধানে বেছে নিন অ্যালো ভেরা জেল এবং ভিটামিন ই। জেলের মধ্যে ভিটামিন ই ক্যাপসুল ফাটিয়ে ভিতরে থাকা তরল মিশিয়ে নিন। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নেওয়ার পরে সেটি মুখে মাসাজ় করুন। বিশেষত রাতে এটি মাসাজ় ক্রিম হিসাবে ব্যবহার করলে, ত্বকের রুক্ষ ভাব দূর হবে। বলিরেখা ঠেকানো সহজ হবে।