Advertisement

নবান্ন অভিযান

পঞ্চসায়রে বিজেপি এজেন্টের দফতরে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার সাত জন! দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই হয় ভাঙচুর

অভিযোগ, বিজেপি এজেন্টের ওই দফতর থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা চুরি করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দফতরের সামনে অনেকে জড়ো হয়েছিলেন।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০১ মে ২০২৬ ২০:৫০

— প্রতীকী চিত্র।

ভোটের পরে গড়িয়ার পঞ্চসায়রে বিজেপির এজেন্টের দফতরে হামলার অভিযোগের ঘটনায় সাত জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁদের এক দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত। থানায় এফআইআর করেছিলেন বিজেপি এজেন্ট শান্তনু সরকারের স্ত্রী অঙ্কিতা সরকার। এফআইআরে সাত জনের নাম ছিল। তাঁদের সকলকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার রাজ্যে দ্বিতীয় দফার ভোট ছিল। পঞ্চসায়র যে বিধানসভা আসনের অন্তর্গত, সেই যাদবপুরেও ওই দিন ভোট ছিল। অঙ্কিতার অভিযোগ, ভোট শেষে বুধবার যখন বাড়ি তাঁরা ফিরছিলেন, তখন কয়েক জন তাঁদের গাড়ির সামনে চলে আসেন। বাড়িতে ফিরে তাঁদের সন্দেহ হয়, শান্তনুর দফতরেও হামলা চলতে পারে। সেখানে ফোন করে তাঁরা জানতে পারেন, হামলা চালানো হয়েছে। ভাঙচুরের কারণে দফতরের সিসি ক্যামেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাড়ির উপরে ইটও পড়েছিল।

অঙ্কিতার অভিযোগ, বিজেপি এজেন্টের ওই দফতর থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা চুরি করা হয়েছে। পরে সিসিটিভি ফুটেজে তাঁরা দেখেছেন, দফতরের সামনে অনেকে জড়ো হয়েছিলেন। এফআইআরে সাত জনের নাম ছিল। অভিযোগকারীরা এ-ও জানান, পুলিশের তরফে সহায়তা করা হয়েছে।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
২ ঘণ্টা আগে
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy