Advertisement

নবান্ন অভিযান

ভোটগণনায় অতিরিক্ত ১৬৫ জন গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৭৭ পুলিশ পর্যবেক্ষক

তবে পুলিশ পর্যবেক্ষকদেরও গণ্ডি এঁকে দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, কোনও অবস্থাতেই পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা গণনাকক্ষের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ০২ মে ২০২৬ ১৭:২০
EC

—প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি।

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের ফল। শনিবার ভোটগণনার জন্য অতিরিক্ত গণনা পর্যবেক্ষক (কাউন্টিং অবজ়ার্ভার) নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। নিয়োগ করা হচ্ছে আরও পুলিশ পর্যবেক্ষকও। সব মিলিয়ে মোট ২৪২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন।

কমিশন সূত্রে খবর, ওই পর্যবেক্ষকদের কাজ হবে গণনা প্রক্রিয়ায় সাহায্য করা। তা ছাড়া গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণের জন্য পুলিশ পর্যবেক্ষকদের নিয়োগ করা হচ্ছে।

শনিবার কমিশন জানিয়েছে, সব মিলিয়ে ১৬৫ জন অতিরিক্ত কাউন্টিং অবজ়ার্ভার বা গণনা পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। যে সব বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক গণনাকক্ষ রয়েছে, সেখানে ওই ‘অতিরিক্ত’ পর্যবেক্ষকরা কাজ করবেন। তাঁরা আগে থেকে নিয়োগ করা পর্যবেক্ষকদের সাহায্য করবেন।

তা ছাড়াও প্রতিটি গণনাকেন্দ্রের জন্য এক জন করে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। সব মিলিয়ে মোট ৭৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে নিয়োগ করা হচ্ছে। তাঁদের কাজ গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা দেখা।

তবে পুলিশ পর্যবেক্ষকদেরও গণ্ডি এঁকে দেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, কোনও অবস্থাতেই পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা গণনাকক্ষের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। তাঁরা অন্যান্য নির্বাচনী কর্মীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করবেন।

কমিশন মনে করিয়ে দিয়েছে, গণনা পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসার ব্যতীত আর কেউ মোবাইল নিয়ে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। ফর্ম-১৭সি-টু-তে ফলাফল লেখা হবে। সেটা ‘কাউন্টিং সুপারভাইজ়র’ প্রস্তুত করবেন। কাউন্টিং এজেন্টরা উপস্থিত থাকবেন এবং তাঁরা সই করবেন। প্রতিটি টেবিলে উপস্থিত মাইক্রো অবজ়ার্ভারকে আলাদা করে ফলাফল লিখে রাখতে হবে।

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Election Commission observer Police Observer
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy