আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষিতে যানবাহনের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত চালক ও খালাসিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে এই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। যে সব যানবাহন ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকার কারণে তাদের মালিক, চালক এবং খালাসিরা বুথে গিয়ে ভোট দিতে পারবেন না, তাঁদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের বন্দোবস্ত করছে নির্বাচন কমিশন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সমস্ত যানবাহনের মালিক ও তাদের সমিতিকে নিকটস্থ ‘পাবলিক ভেহিকলস ডিপার্টমেন্ট’ (পিভিডি) অফিস থেকে পোস্টাল ব্যালটের জন্য প্রয়োজনীয় ফর্ম ১২ সংগ্রহ করতে হবে। এরপর সেই ফর্ম যথাযথ ভাবে সকল ড্রাইভার ও খালাসিদের মধ্যে বিতরণ করার দায়িত্বও নিতে হবে সংশ্লিষ্ট মালিক বা সমিতিকে।
ড্রাইভার ও খালাসিদের জন্য আলাদা করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রত্যেককে ফর্ম ১২ সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে। ফর্ম পূরণের ক্ষেত্রে কোনও রকম ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য থাকলে তা বাতিল হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। তাই প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে সঠিক ভাবে ফর্ম পূরণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
পূরণ করা ফর্ম জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসে ফর্ম জমা দেওয়ার সময় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি সংযুক্ত করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ভোটার পরিচয়পত্র (এপিক)-এর ফোটোকপি, যানবাহনের মালিকের পক্ষ থেকে একটি ঘোষণাপত্র এবং রিকুইজিশন অর্ডারের জেরক্স কপি।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। সময়সীমা অতিক্রান্ত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। তাই সমস্ত যানবাহন মালিক, সমিতি, চালক ও খালাসিদের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্বাচনের সময় বিভিন্ন সরকারি কাজে নিযুক্ত থাকার কারণে বহু চালক ও খালাসি ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে পারেন না। সেই পরিস্থিতিতে পোস্টাল ব্যালট একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসাবে বিবেচিত হয়। তাই এই প্রক্রিয়ায় সঠিক ভাবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
যানবাহনের মালিক, চালক এবং খালাসিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও পরিবহণ দফতরে আবেদন জানানো হয়েছিল। জয়েন কাউন্সিল অফ সিন্ডিকেটের সাধারণ সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তিনি বলেন, ‘‘আমরা অনুরোধ করেছিলাম যাতে যানবাহন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ভোটের সময় ব্যস্ত থেকেও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের সেই অনুরোধ মেনে নেওয়ায় আমরা কৃতজ্ঞ।’’ সাধারণত সরকারি কর্মচারীরা ভোটকর্মী হিসেবে কাজ করায় তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে এই পোস্টাল ব্যালট দেওয়া হয়ে থাকে। এ বার যানবাহন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নির্বাচনের কাজে যুক্ত থাকলে এই সুযোগ পাবেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত