Advertisement

নবান্ন অভিযান

প্রচারের শেষ লগ্নে উত্তপ্ত দাঁতন, বিজেপি প্রার্থী-সহ জখম কর্মীরা, থানা ঘেরাও, পাল্টা অভিযোগ তৃণমূলের

ঙ্গলবার দুপুরে মোহনপুর ব্লকের আঁতলা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী অজিতের বাইক র‌্যালি ছিল। পদ্মশিবিরের অভিযোগ, বিনা প্ররোচনায় অতর্কিতে তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:২০
Dantan TMC-BJP Clash

তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে মোহনপুর থানা ঘেরাও করলেন বিজেপি কর্মীরা। —নিজস্ব চিত্র।

নির্বাচনী প্রচারের শেষ লগ্নে রণক্ষেত্র পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতন। বিজেপির বাইক র‌্যালিতে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। জখম হয়েছেন দুই পক্ষের লোকজন। তবে বিজেপির দাবি, তাদের লোকজনকেই মারধর করা হয়েছে। বিজেপি প্রার্থী অজিত জানা স্বয়ং মার খেয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। শুধু তা-ই নয়, ১৫ জন কর্মীকে ওড়িশার জলেশ্বরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসার জন্য। এক জনের শারীরিক পরিস্থিতি গুরুতর। তাঁকে ওড়িশার বালেশ্বরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিকেলে মোহনপুর থানা ঘেরাও করেন বিজেপির কর্মীরা।

মঙ্গলবার দুপুরে মোহনপুর ব্লকের আঁতলা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী অজিতের বাইক র‌্যালি ছিল। পদ্মশিবিরের অভিযোগ, বিনা প্ররোচনায় অতর্কিতে তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। হরিপুর থেকে র‍্যালি শুরু হয়েছিল। মোহনপুরের দিকে যাচ্ছিলেন প্রার্থী অজিত এবং তাঁর সমর্থকেরা। আঁতলা এলাকায় তাঁরা পৌঁছোতেই একদল লোক লাঠিসোটা নিয়ে রাস্তা আটকে দিয়ে মারধর শুরু করে। বেশ কয়েকটি গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলেও অভিযোগ। বেশ কয়েক জন বিজেপি কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের তড়িঘড়ি মোহনপুর ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল। সেখান থেকে অনেককে ভিন্‌রাজ্যে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।

ওই ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। দাঁতনের তৃণমূল প্রার্থী মানিক মাইতি বলেন, ‘‘পুরো সাজানো... নাটক করছে বিজেপি।’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘প্রায় তিন মাস ধরে এলাকায় ঘুরলেন বিজেপি প্রার্থী। তখন কিচ্ছু হল না। আজ শেষ প্রচারের দিনে এলাকায় হঠাৎ গন্ডগোল তৈরি করে ব্যান্ডেজ বেঁধে ভোট পাওয়ার নাটক করছে।’’ তাঁর দাবি, বিজেপির আক্রমণে তৃণমূলেরই ১৫ জনের বেশি লোক আহত হয়েছেন। অন্য দিকে, বিজেপি প্রার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
Dantan TMC BJP
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy