Advertisement

নবান্ন অভিযান

বেলেঘাটায় নিজের পোস্টার নিজেই ছিঁড়লেন কুণাল ঘোষ! কয়েক জন তৃণমূলকর্মীকে দিলেন কড়া বার্তা

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলেঘাটায় সিপিএম প্রার্থী পারমিতার পোস্টারের উপরে দলের কয়েক জন কর্মী কুণালের পোস্টার সাঁটিয়ে দেন। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান তৃণমূল নেতা।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ২২:২৮
বেলেঘাটায় কর্মীদের কড়া বার্তা কুণাল ঘোষের।

বেলেঘাটায় কর্মীদের কড়া বার্তা কুণাল ঘোষের। — নিজস্ব চিত্র।

বেলেঘাটায় নিজের পোস্টার নিজেই ছিঁড়ে ফেললেন কুণাল ঘোষ। ওই কেন্দ্রে তাঁকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। অভিযোগ, দলের কয়েক জন কর্মী কয়েক জায়গায় সিপিএম প্রার্থী পারমিতা রায়ের পোস্টারের উপরে তাঁর পোস্টার সাঁটিয়ে দেন। তা জানতে পেরেই সক্রিয় হন কুণাল। কর্মীদের ডেকে কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়ে দেন, তিনি এ সব পছন্দ করেন না। স্থানীয় সিপিএম নেতাকে ডেকে বলে দেন, এ ধরনের পদক্ষেপ তিনি সমর্থন করেন না। আর এ ভাবেই দেখালেন ‘রাজনৈতিক সৌজন্য’!

তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, বেলেঘাটায় সিপিএম প্রার্থী পারমিতার পোস্টারের উপরে কয়েক জন তৃণমূল কর্মী কুণালের পোস্টার সাঁটিয়ে দেন। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান তৃণমূল নেতা। নিজেই তিনি নিজের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেন। কর্মীদের কড়া বার্তা দেন। তিনি বলেন, ‘‘বেশি উৎসাহী কর্মী আমার প্রয়োজন নেই।’’ এর পরে স্থানীয় এক সিপিএম নেতাকে ডেকে বলেন, ‘‘আমি এ সব পছন্দ করি না। আপনারা আপনাদের পোস্টার সাঁটিয়ে দিন। কেউ বাধা দিলে আমাকে বলবেন।’’

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই পানিহাটির সভায় তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক সৌজন্যের কথা বলেছেন। তিনি বলেন, ‘‘ভোটে কেউ প্রার্থী হলে তাঁর নিজের কথা বলার অধিকার রয়েছে। কিন্তু ভোট রাজনীতির অঙ্গ। এক রাজনীতির লোক অন্য রাজনীতির লোককে বলতেই পারে। কিন্তু আমি কাউকে কটূক্তি করব না। আপনারাও সৌজন্যের সীমারেখা রাখবেন।’’

সংক্ষেপে
  • প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy