নন্দীগ্রামে বিনা কারণে গ্রামবাসীদের মারধর, ভয় দেখানোর অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। ছবি দিয়ে সিআরপিএফের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে নালিশ জানাল তৃণমূল। চিঠিতে তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কথায় কাজ করছে সিআরপিএফ। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে পদ্মশিবির। অবিলম্বে এটা বন্ধ করতে হবে।
মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা এলাকায় বেশ কিছু গন্ডগোলের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে নন্দীগ্রামের কাঞ্চনপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে মারধর করার অভিযোগ করেন কয়েক জন গ্রামবাসী। তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মহিলারা। খোকন সাঁতরা নামে স্থানীয় এক যুবক বলেন, ‘‘কর্মসূত্রে আমি হাওড়ায় থাকি। ভোট দিতে বাড়ি ফিরেছিলাম। কিছু বুঝে ওঠার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানেরা মেরেছে।’’ এই ঘটনায় চার জন আহত হয়েছেন বলে গ্রামবাসীদের দাবি। তাঁদের চিকিৎসা হয় নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। এখন কমিশনকে লেখা চিঠিতে তৃণমূল লিখেছে, ২১০-নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দাদের উপর মাত্রাতিরিক্ত অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন এবং মারধর করার অভিযোগ উঠেছে সিআরপিএফের বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন:
বিনা প্ররোচনায় সাধারণ মানুষকে আঘাত করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জখমদের হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে। প্রমাণ হিসাবে সেই ছবি দিয়ে শাসকদলের দাবি, এই কাজ কেবল অনৈতিক নয়, এটা আইনবিরোধী। ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ ভাবে এবং নির্বিঘ্নে মেটে, সেই দায়িত্ব যাদের ঘাড়ে, তাদের এ হেন কাজ বাঞ্ছনীয় নয়। অমিত শাহের মন্ত্রকের উদ্দেশে তৃণমূলের অভিযোগ, সিআরপিএফ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ। বিজেপি পরিষ্কার ভাবে সিআরপিএফ-কে ব্যবহার করছে। নন্দীগ্রামের ঘটনার প্রেক্ষিতে কমিশনের কাছে তৃণমূলের আর্জি, সিআরপিএফ-কে শো কজ় করা হোক। অভিযুক্ত জওয়ানদের সাসপেন্ড করা হোক এবং নিশ্চিত করা হোক, এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, প্রচুর পরিমাণে ভোট পড়লে তা সাধারণত স্থিতাবস্থা বা প্রতিষ্ঠানবিরোধী হয়। অর্থাৎ, ক্ষমতাসীন সরকারের বিপক্ষে যায় জনতার রায়। তবে দীর্ঘলালিত এই ধারণার প্রতিযুক্তিও ছিল। তৃণমূলের তরফে গত লোকসভা এবং বিধানসভা ভোটের উদাহরণ দিয়ে দাবি করা হচ্ছিল, অনেক ভোট পড়লেও এ রাজ্যে তা শাসকের পক্ষেই গিয়েছে বরাবর। বিজেপির পাল্টা যুক্তিতে আবার ছিল ২০১১ সালের ‘পরিবর্তনের ভোট’। সে বারও প্রচুর ভোট পড়েছিল এবং ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে নতুন সরকার গড়েছিলেন মমতা। এ বারের ভোটে এসআইআর সুবিধা করে দিল বিজেপির।
- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) যে হয়রানিকে প্রচারে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল, তা কাজে এল না। পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোট দিলেন বিজেপির পক্ষেই। ফলে এ রাজ্যেও ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জয় করেছে বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনেও যে দল সে ভাবে দাঁত ফোটাতে পারেনি, দু’বছরের ব্যবধানে তারাই ২০০-র গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলেছে। জেলায় জেলায় পদ্মের ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা।
-
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল আরএন রবি, ইস্তফা না-দিলেও মমতা এখন ‘প্রাক্তন’ মুখ্যমন্ত্রী! রাজ্য কার?
-
বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী! রাজ্যে প্রচারে এসে দিয়ে গিয়েছিলেন কথা
-
ভোট-পরবর্তী গোলমালে রুজু ২০০ এফআইআর! কেউ কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অশান্তি পাকাতে চাইছেন: ডিজি সিদ্ধনাথ
-
‘কমিশন ১০টি গণনাকেন্দ্রের ছয় ঘণ্টার ফুটেজ দিক, দেখাক কিছু হয়নি, আমি মেনে নেব এটাই জনাদেশ’! চ্যালেঞ্জ অভিষেকের
-
৪৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে রাজ্যে ২০৭টি আসনে জয় পেল বিজেপি! ৮০টি আসনে জয়ী তৃণমূল, তাদের ভোটের হার কত