Advertisement

নবান্ন অভিযান

নন্দীগ্রামে ভোটারদের মারধর, ভয় দেখানো থেকে বলপ্রয়োগে অভিযুক্ত সিআরপিএফ! ছবি দিয়ে কমিশনকে নালিশ তৃণমূলের

মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা এলাকায় বেশ কিছু গন্ডগোলের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে নন্দীগ্রামের কাঞ্চনপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২২ এপ্রিল ২০২৬ ১১:৪৫

নন্দীগ্রামে বিনা কারণে গ্রামবাসীদের মারধর, ভয় দেখানোর অভিযোগ কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। ছবি দিয়ে সিআরপিএফের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে নালিশ জানাল তৃণমূল। চিঠিতে তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কথায় কাজ করছে সিআরপিএফ। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করছে পদ্মশিবির। অবিলম্বে এটা বন্ধ করতে হবে।

মঙ্গলবার শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা এলাকায় বেশ কিছু গন্ডগোলের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে নন্দীগ্রামের কাঞ্চনপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের বিরুদ্ধে মারধর করার অভিযোগ করেন কয়েক জন গ্রামবাসী। তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মহিলারা। খোকন সাঁতরা নামে স্থানীয় এক যুবক বলেন, ‘‘কর্মসূত্রে আমি হাওড়ায় থাকি। ভোট দিতে বাড়ি ফিরেছিলাম। কিছু বুঝে ওঠার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানেরা মেরেছে।’’ এই ঘটনায় চার জন আহত হয়েছেন বলে গ্রামবাসীদের দাবি। তাঁদের চিকিৎসা হয় নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। এখন কমিশনকে লেখা চিঠিতে তৃণমূল লিখেছে, ২১০-নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের বাসিন্দাদের উপর মাত্রাতিরিক্ত অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন এবং মারধর করার অভিযোগ উঠেছে সিআরপিএফের বিরুদ্ধে।

বিনা প্ররোচনায় সাধারণ মানুষকে আঘাত করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। জখমদের হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়েছে। প্রমাণ হিসাবে সেই ছবি দিয়ে শাসকদলের দাবি, এই কাজ কেবল অনৈতিক নয়, এটা আইনবিরোধী। ভোট যাতে শান্তিপূর্ণ ভাবে এবং নির্বিঘ্নে মেটে, সেই দায়িত্ব যাদের ঘাড়ে, তাদের এ হেন কাজ বাঞ্ছনীয় নয়। অমিত শাহের মন্ত্রকের উদ্দেশে তৃণমূলের অভিযোগ, সিআরপিএফ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ। বিজেপি পরিষ্কার ভাবে সিআরপিএফ-কে ব্যবহার করছে। নন্দীগ্রামের ঘটনার প্রেক্ষিতে কমিশনের কাছে তৃণমূলের আর্জি, সিআরপিএফ-কে শো কজ় করা হোক। অভিযুক্ত জওয়ানদের সাসপেন্ড করা হোক এবং নিশ্চিত করা হোক, এমন ঘটনা যাতে আর না ঘটে।

Advertisement
সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
৪ মিনিট আগে
crpf Nandigram TMC Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy