প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হতেই ইভিএম নিয়ে সজাগ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল এবং বিরোধী সিপিএম, কংগ্রেসও। প্রার্থী এবং দলের কর্মীদের একাংশ এ ক্ষেত্রে শুধু নির্বাচন কমিশনের উপরে ভরসা না-রেখে নিজেরাই সক্রিয় হয়েছেন। ডোমকল গার্লস কলেজের স্ট্রংরুমে, যেখানে তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম রয়েছে, সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও প্রশাসনের কড়া প্রহরা রয়েছে। কমিশনের নজরদারিতে ‘সন্তুষ্ট’ না-হয়ে এ বার নিজেদের উদ্যোগে স্ট্রংরুমের বাইরে সিসি ক্যামেরা বসাল তৃণমূল, বিরোধী কংগ্রেস এবং সিপিএম।
সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি, ডোমকল ও রানিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের ইভিএম রাখা হয়েছে ডোমকল গার্লস কলেজের স্ট্রং রুমে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেখানে কড়া নিরাপত্তা ও প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রার্থীদের একাংশের মধ্যে সেই নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় থাকায় তাঁরা আলাদা ভাবে নজরদারির ব্যবস্থা করেছেন। তৃণমূল, কংগ্রেস দুই দলের প্রার্থী এবং কর্মীরা শুক্রবার থেকে নিজেদের উদ্যোগে স্ট্রংরুমের চারপাশে সিসি ক্যামেরা বসিয়েছেন। সেই সঙ্গে পালা করে দলীয় কর্মীদের বসিয়ে রাখা হচ্ছে এলাকায়। সর্বক্ষণ নজরদারি চলছে সেখানে। স্ট্রংরুমের আশপাশে কারা যাতায়াত করছেন, কোনও সন্দেহজনক গতিবিধি দেখা যাচ্ছে কি না, সব কিছুই দেখা হচ্ছে ফুটেজে।
সারা দিন নজরদারি চালাতে স্ট্রংরুমের থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে অস্থায়ী তাঁবু তৈরি করা হয়েছে। সেখানে রাখা হয়েছে টিভি মনিটর, হার্ডডিস্ক-সহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, যাতে সিসিটিভি ফুটেজ সব সময় পর্যবেক্ষণ করা যায়। রানিনগরের তৃণমূল প্রার্থী সৌমিক হোসেন বলেন, “আমরা কোনও ঝুঁকি নিতে চাই না। তাই সিসি ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি কর্মীদের পালা করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নজরদারির জন্য।” একই সুর শোনা গিয়েছে রানিনগরের কংগ্রেস প্রার্থী জুলফিকার আলির কথাতেও। তাঁর দাবি, তাঁদের পক্ষ থেকেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন:
অন্য দিকে, ডোমকলের সিপিএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তাঁরাও, শনিবার থেকে স্ট্রংরুমের কাছে সিসি ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি কর্মী মোতায়েনের ব্যবস্থা করছেন।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৬:৫৩
‘গুন্ডাদের ভয় দেখাই তো দিদি আমার উপর রেগে যান, বলুন কী করব? কোলাকুলি করব?’ শ্যামপুরের সভায় শাহ -
১৬:২২
আমার বিরুদ্ধে ৩৬টি মামলা, ৫৫ ঘণ্টা জেরা করেছে, মমতাজির বিরুদ্ধে কেন একটাও করেননি মোদীজি: রাহুল -
১৫:০৭
নন্দীগ্রামে ভোট লুট করার জন্য ছিল, তার সঙ্গে মিটিং করে ভোট স্লো করতে বলছে ভবানীপুরেও! আমার কাঁচকলা করবে: মমতা -
১৪:৪৯
বাঁকুড়ায় ভোটের কাজ শেষ করে অসুস্থ বিএলও, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু! কমিশনকে দুষল পরিবার -
১৪:২১
রবিবার ফের রাজ্যে মোদী, বিকেলে উত্তর কলকাতায় রোড শো! দিনভর ঠাসা কর্মসূচি, রয়েছে দু’টি জনসভাও