Advertisement

নবান্ন অভিযান

দলের প্রায় ৮০০ জন কর্মীকে গ্রেফতার করাতে পারে কমিশন! আশঙ্কাপ্রকাশ করে হাই কোর্টে তৃণমূল, মিলল মামলার অনুমতি

তৃণমূলের আর্জির প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চ। আগামী বুধবার মামলাটির শুনানি হতে পারে।

আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০২৬ ১১:০৩
কর্মীদের গ্রেফতার পারে কমিশন, আশঙ্কাপ্রকাশ করে হাই কোর্টে গেল তৃণমূল।

কর্মীদের গ্রেফতার পারে কমিশন, আশঙ্কাপ্রকাশ করে হাই কোর্টে গেল তৃণমূল। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

গোটা রাজ্যে প্রায় ৮০০ জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করাতে পারে নির্বাচন কমিশন! এমন আশঙ্কাপ্রকাশ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্জি, অবিলম্বে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করুক উচ্চ আদালত।

তৃণমূলের আর্জির প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চ। আগামী বুধবার মামলাটির শুনানি হতে পারে।

তৃণমূলের বক্তব্য, তাদের প্রায় ৮০০ জন কর্মীকে নজরে রেখেছে কমিশন। তাঁদের গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে রাজ্যের শাসকদল। তার পরেই আদালতকে বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত করে দ্রুত হস্তক্ষেপের আর্জি জানায় তৃণমূল। আদালতে কল্যাণ বলেন, “ওই তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতারির আশঙ্কা করা হচ্ছে।”

Advertisement

প্রসঙ্গত, প্রায় প্রতিটি নির্বাচনী সভা থেকেই তৃণমূল নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারি নিয়ে আশঙ্কাপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, “অনেককে গ্রেফতার করার চেষ্টা হবে।” কমিশনের উপরমহল থেকে তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতার করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। এই আবহে তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতারির আশঙ্কা করে হাই কোর্টে গেল তৃণমূল।

সংক্ষেপে
  • রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
  • পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
সর্বশেষ
১২ ঘণ্টা আগে
TMC ECI Election Commission
Advertisement

আরও পড়ুন:

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy