এখনও তিন ঘণ্টা ভোট বাকি। দুপুর ৩টেতেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের হারে সমস্ত নজিরকে ছাপিয়ে গেল এ বারের ভোট। বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটে ১৪২টি কেন্দ্রে ৭৮.৬৮ শতাংশ ভোট পড়ল দুপুর ৩টে পর্যন্ত। দু’দফা মিলিয়ে ৮৬.৩৫ শতাংশ ভোট ইতিমধ্যেই যন্ত্রবন্দি হয়ে গিয়েছে। বাকি ৩ ঘণ্টায় এই অঙ্ক নিঃসন্দেহেই আরও বাড়বে। এর আগে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভোটদানের সর্বোচ্চ হার ছিল ২০১১ সালে। ‘পরিবর্তনের’ সেই নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৮৪.৩৩ শতাংশ।
দ্বিতীয় দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৯৯। অর্থাৎ, হিসাব বলছে, ৩টে পর্যন্ত ভোট পড়ে গিয়েছে ২ কোটি ৫৩ লক্ষ ১৫ হাজারের সামান্য কিছু বেশি। দু’দফা মিলিয়ে বুধবার ৩টে পর্যন্ত পড়ল ৫ কোটি ৮৯ লক্ষ ৩৭ হাজারের বেশি ভোট। রাজ্যে এ বার মোট ভোটার ৬ কোটি ৮২ লক্ষ ৫২ হাজার ৬০৩। ভোট শেষের তিন ঘণ্টা বাকি থাকতেই এ বার ভোটদানের হার দাঁড়িয়ে গেল ৮৬.৩৫ শতাংশে।
প্রথম দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। সেই নিরিখে অবশ্য দ্বিতীয় দফা প্রথম দফার তুলনায় খানিক পিছিয়ে রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার প্রথম দফায় রাজ্যের ১৫২টি কেন্দ্রে নির্বাচন হয়েছিল। ওই দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩০৪। ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ ২২ হাজার ১৬৮ জন। শতাংশের নিরিখে ৯৩.১৯ শতাংশ ভোটার।
প্রথম দফায় ভোটদানের চূড়ান্ত হার ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে কমিশন (৯৩.১৩ শতাংশ)। দ্বিতীয় দফায় দুপুর ৩টে পর্যন্ত ভোটদানের হার ৭৮.৬৮ শতাংশ। দুই দফা মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ভোটের হার ৮৬.৩৫, যা ইতিমধ্যেই ২০১১ সালের ভোটদানের হার (৮৪.৩৩)-কে ছাপিয়ে গিয়েছে।
এই খবরটি পড়ার জন্য সাবস্ক্রাইব করুন
5,148
1,999
429
169
- রবিবার মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছিল। রাজ্যের বেশ কয়েক জন আমলা এবং পুলিশ আধিকারিককে তাঁদের পদ থেকে অপসারণ করে নির্বাচন কমিশন। বুধবার রাত পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। সেই সব পদে নতুন আধিকারিকও নিয়োগ করে দেওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, কমিশন স্পষ্ট জানায়, যাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে, তাঁদের এ রাজ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে আপাতত আর নিয়োগ করা যাবে না!
- পশ্চিমবঙ্গের ভোটের ক্ষেত্রে কমিশনের এই ‘সক্রিয়তা’ নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ভাবে অপসারণের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠিও লেখেন। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকারের সঙ্গে আগাম কোনও আলোচনা না-করে বা কোনও মতামত না-নিয়ে বদলি করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, অতীতে নির্বাচন চলাকালীন কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা আধিকারিককে সরানোর প্রয়োজন হলে কমিশনের পক্ষ থেকে সাধারণত রাজ্য সরকারের কাছে তিন জনের একটি প্যানেল চাওয়া হত। সেই তালিকা থেকে কমিশন নিজেই এক জনকে বেছে নিত। মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, এ বার সেই প্রচলিত রীতির সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম ঘটেছে। প্রার্থিতালিকা ঘোষণার আগেও কমিশনকে এ বিষয়ে তোপ দাগেন মমতা। নিশানা করেন কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকেও।
-
১৬:৪৪
‘অত্যাচার চলছে, এজেন্টদের বার করে দেওয়া হয়েছে’! ভোট দিতে গিয়ে অভিযোগ মমতার, তবু জয় নিশ্চিত বলে ‘ভি’ চিহ্ন -
১৬:০০
বিজেপির দাবি করা দু’টি বুথেই হতে পারে পুনর্নির্বাচন! ইঙ্গিত দিয়ে সিইও মনোজ বললেন, ‘পরিস্থিতি দাবি করলে আরও হবে’ -
১৩:৪২
পাঁচ রাজ্যের ভোটে ‘ঐতিহাসিক জয়ের’ হ্যাট্ট্রিক করবে বিজেপি! দাবি মোদীর, বললেন, ‘ভয়মুক্ত পরিবেশে ভোট হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে’ -
১২:৫৮
‘বহিরাগত’ ধরতে বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে দৌড় শুভেন্দুর, বিরোধী দলনেতাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ তৃণমূলের, স্লোগানযুদ্ধ -
১২:৫৭
সেই ফলতা! ইভিএমে ‘টেপ’ লাগানো, ছবি পোস্ট করে অভিযোগ বিজেপির, দাবি পুনর্নির্বাচনের, কথা শাহ-শুভেন্দুর