এক নারীতে থিতু হতে চাননি, কারও আবার মন ভেঙেছে অনেক বার! কবীর বেদী থেকে সঞ্জয় দত্ত, কারা বার বার বসেছেন বিয়ের পিঁড়িতে?
পর্দায় তাঁরা যেমন রঙিন, বাস্তবেও তেমনই বর্ণময়। হলিউড থেকে বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ—বার বার বিয়ে পিঁড়িতে বসেছেন কোন অভিনেতারা?
সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে তিনি যেমন সফল ছিলেন, তেমনই তাঁর ব্যক্তিগতজীবনও ছিল রঙিন। রুমা গুহঠাকুরতার সঙ্গে আট বছরের দাম্পত্য ভাঙার পরে মধুবালাকে বিয়ে করেন কিশোরকুমার। ১৯৬৯-এ অভিনেত্রীর মৃত্যু হয়। তার অনেক দিন পরে যোগিতা বালিকে বিয়ে করেন গায়ক। কিন্তু সেই সম্পর্কও খুব বেশি দিনের হয়নি। শেষে ১৯৮০-তে লীনা চন্দাভারকরকে বিয়ে করেন শিল্পী।
মোট চার বার বিয়ে করেছেন অভিনেতা কবীর বেদী। ১৯৬৯ সালে বিয়ে করেন ওড়িশি নৃত্যশিল্পী প্রতিমাকে। সংসার ভাঙার পরে মার্কিন মডেল সুজান হাম্পফ্রে-র সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় তাঁর। সুজানকে বিয়ে করেন ১৯৮০ সালে। তবে কবীরের দ্বিতীয় বিয়েও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ভেঙে যায় ১৯৯০ সালে। তার পরে বয়সে কুড়ি বছরের ছোট, রেডিয়ো ও টেলিভিশনের সঞ্চালিকা নিক্কি মুলগাঁওকরকে বিয়ে করেন তিনি। সেই সংসারও টেকেনি। ২০১৬ সালে, নিজের সত্তরতম জন্মদিনের ঠিক দু’দিন আগে তিনি বিয়ে করেন পরভিন দুসাঞ্জকে। কবীরের থেকে পরভিন বয়সে ছাব্বিশ বছরের ছোট। এই বিয়ে নিয়ে মেয়ে পূজার সঙ্গে দূরত্বও তৈরি হয় কবীরের।
সিনেমাপাড়ায় নায়কদের বিয়ে ভাঙা নিয়ে ভূরি ভূরি আলোচনা রয়েছে। তবে সঞ্জয় দত্তের জীবনের কাহিনি একটু অন্য রকম। প্রথম স্ত্রী রিচা শর্মার মৃত্যু হয় ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে। দ্বিতীয় বার সংসার পেতেছিলেন রিয়া পিল্লাইয়ের সঙ্গে। কিন্তু বিয়ের সাত বছরের মাথায় সংসার ভাঙে তাঁদের। ২০০৮ সালে মান্যতাকে বিয়ে করেন সঞ্জয়। বর্তমানে সুখের সংসার সঞ্জয়ের।
সিনেমাপাড়ায় নায়কদের বিয়ে ভাঙা নিয়ে ভূরি ভূরি আলোচনা রয়েছে। তবে সঞ্জয় দত্তের জীবনের কাহিনি একটু অন্য রকম। প্রথম স্ত্রী রিচা শর্মার মৃত্যু হয় ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে। দ্বিতীয় বার সংসার পেতেছিলেন রিয়া পিল্লাইয়ের সঙ্গে। কিন্তু বিয়ের সাত বছরের মাথায় সংসার ভাঙে তাঁদের। ২০০৮ সালে মান্যতাকে বিয়ে করেন সঞ্জয়। বর্তমানে সুখের সংসার সঞ্জয়ের।
বিখ্যাত গায়ক লাকি আলি। তাঁর সুরের মোহে এখনও বিভোর শ্রোতারা। কিন্তু ব্যক্তিগতজীবনে বহু বার চড়াই-উতরাইয়ের উপর দিয়ে গিয়েছেন গায়ক। প্রথম স্ত্রী মেগান জেন ম্যাকক্লিয়ারি ছিলেন নিউজিল্যান্ডের নাগরিক। কিন্তু সেই সম্পর্ক টেকেনি। দ্বিতীয় স্ত্রী ইনায়া। তিনি ছিলেন ইরানের বংশোদ্ভূত। সেই বিয়েও ভেঙে যায়। ২০১০ সালে লাকি ব্রিটিশ মডেল ও সুন্দরী কেট এলিজাবেথকে বিয়ে করেন। তাঁদেরও বিচ্ছেদ হয়েছে।
আরও পড়ুন:
হলিউড তারকা টম ক্রুজ় তাঁর অভিনয় জীবনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের জন্য সব সময়েই আলোচনায় থেকেছেন। ১৯৮৭ সালে তিনি অভিনেত্রী মিমি রজার্সকে বিয়ে করেন এবং ১৯৯০ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। ১৯৯০ সালে তিনি বিখ্যাত অভিনেত্রী নিকোল কিডম্যানকে বিয়ে করেন। দীর্ঘ ১১ বছর সংসার করার পর ২০০১ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ ঘটে। ২০০৬ সালে ইতালির ওদেসকালচি দুর্গে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে কেটি হোমসকে বিয়ে করেন টম। সেই সংসারও দীর্ঘমেয়াদি হয়নি।
হলিউডের দাপুটে অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি। পর্দায় তাঁর অভিনয় নিয়ে যেমন আলোচনা হয়, তেমনই তাঁর পারিবারিক জীবন নিয়েও অনেক আলোচনা রয়েছে। মোট তিনবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। জোলির প্রথম বিয়ে হয়েছিল ব্রিটিশ অভিনেতা জনি লি মিলারের সঙ্গে। তাঁরা ১৯৯৬ সালে বিয়ে করেন এবং ২০০০ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। জোলির প্রথম বিয়ে হয়েছিল ব্রিটিশ অভিনেতা জনি লি মিলারের সঙ্গে। তাঁরা ১৯৯৬ সালে বিয়ে করেন এবং ২০০০ সালে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। জোলির তৃতীয় ও দীর্ঘতম সম্পর্কটি ছিল ব্র্যাড পিটের সঙ্গে। দীর্ঘ ৯ বছর একত্রবাসের পর ২০১৪ সালের ২৩ আগস্ট তাঁরা ফ্রান্সে আনুষ্ঠানিক বিয়ে করেন। এই বিয়েতে তাঁদের ছয় সন্তানই উপস্থিত ছিলেন। ২০১৬ সালে তাঁরা বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন এবং ২০১৯ সালে তাঁরা আইনত আলাদা হয়ে যান।
তাঁর ঝুলিতে হিট গানের সংখ্যা নেহাতই কম নয়। শিল্পী আদনান স্বামীর ব্যক্তিগতজীবন নিয়েও বিপুল আলোচনা রয়েছে। ১৯৯৩ সালে পাকিস্তানি অভিনেত্রী জেবা বখতিয়ার-কে বিয়ে করেন তিনি। ১৯৯৬ সালে বিয়ে ভাঙে তাঁদের। ২০০১ সালে দুবাইয়ের ব্যবসায়ী সাবাহ গালাদরি-কে বিয়ে করেন। দেড় বছরের মাথায় তাঁদের বিচ্ছেদ হয়। পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তাঁরা আবার বিয়ে করলেও এক বছরের মধ্যে সম্পর্কটি ভেঙে যায়। ২০১০ সালে আদনান আফগান বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিক রোয়া ফারিয়াবি (রোয়া সামি খান)-কে বিয়ে করেন। এখন তাঁরা সুখে সংসার করছেন।
তখন তিনি ‘জনতা এক্সপ্রেস’-এর মুখ। সেই সময়ে আলাপ হয় অনিন্দিতা দাসের সঙ্গে। সেই আলাপ গড়ায় বিয়ের পিঁড়ি পর্যন্ত। কিন্তু সাড়ে সাত বছরের মাথায় সংসার ভাঙে কাঞ্চন মল্লিকের। তার পরে পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন অভিনেতা। তাঁদের এক পুত্রসন্তানও আছে। কিন্তু সেই সম্পর্কও টেকেনি। দু’বছর আগে শ্রীময়ী চট্টরাজকে বিয়ে করেন কাঞ্চন। সেই বিয়ে নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়। আলোচনা হয় তাঁদের বয়সের ফারাক নিয়েও।
আরও পড়ুন:
তখনও তিনি সঙ্গীত পরিচালক অনুপম হিসাবে পরিচিতি পাননি। বেঙ্গালুরুতে আইটি সংস্থায় কর্মরত। শোনা যায়, সেই সময়েই গুছিয়ে সংসারও পেতেছিলেন গায়ক। কিন্তু সেই সম্পর্ক টেকেনি। তা নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয়েছে তেমনও নয়। পরে ২০১৫ সালে পিয়া চক্রবর্তীর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। ছ’বছরের মাথায় সেই সম্পর্কেও ইতি টানার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। ২০২৪ সালে গায়িকা প্রস্মিতা পালের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন গায়ক অনুপম।
দিন ক্ষণ সব ঠিক হয়ে গিয়েছে। জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে দীর্ঘদিনের বন্ধু গৌরী স্প্র্যাটের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধবেন আমির খান। ষাটোর্ধ্ব আমিরের তৃতীয় বার বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা জনের নানা মত। এর আগেও দু’বার সংসার পেতেছেন নায়ক। কিন্তু কোনও সম্পর্কই টেকেনি। রিনা দত্তের সঙ্গে দীর্ঘদিন সম্পর্কে ছিলেন নায়ক। যৌথভাবে সংসার ভাঙার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।পরবর্তীকালে কিরণ রাওয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নায়ক। সেই সম্পর্কও ভাঙতে সময় লাগেনি।
তিন বার সংসার ভেঙেছে অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের। কিন্তু কিছু দিন আগে এক সাক্ষাৎকারে নায়িকা বলেছেন “এখনও আমার বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানের উপরে আস্থা রয়েছে।” ১৬ বছর বয়সে পরিচালক রাজীব বিশ্বাসকে বিয়ে করেন নায়িকা। তাঁদের একটি ছেলেও আছে। কিন্তু সেই সংসার টেকেনি। তার পরে ২০১৭ সালে মডেল কৃষ্ণা ভিরাজকে আইনি মতে বিয়ে করেন। এক বছরের মাথায় সেই সম্পর্ক থেকেও বেরিয়ে আসেন। শেষে চুপিসারে ২০১৯ সালের ১৯ এপ্রিল অমৃতসরে পঞ্জাবি রীতিতে রোশন সিংহকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। পরবর্তীকালে তাঁদের মধ্যেও বিচ্ছেদ মামলা ও দূরত্বের সৃষ্টি হয়।
২০১২ সালের ডিসেম্বরে প্রযোজক সিদ্ধার্থ রায় কপূরকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী বিদ্যা বালান। নায়িকার এটি প্রথম বিয়ে হলেও সিদ্ধার্থ অতীতে বিবাহিত ছিলেন। প্রথম স্ত্রী ছিলেন তাঁর শৈশবের বন্ধু ও ফিল্ম এডিটর আরতি বাজাজ। এরপর তিনি টেলিভিশন প্রযোজক কবিতা-কে বিয়ে করেন। কিন্তু সেই সম্পর্কও দীর্ঘমেয়াদি হয়নি।
অভিনেতা বিনোদ মেহরা ১৯৭৩ সালে তিনি অভিনেত্রী মীনা ব্রোকা-কে বিয়ে করেন, পরে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি অভিনেত্রী বিন্দিয়া গোস্বামী-কে বিয়ে করেন, যা বেশিদিন টেকেনি। সবশেষে, ১৯৮৮ সালে তিনি কেনিয়া-ভিত্তিক ব্যবসায়ী কন্যা কিরণ-কে বিয়ে করেন।
১৯৭৫ সালে পঙ্কজ কপূরকে বিয়ে করেন অভিনেত্রী নীলিমা আজ়মি। কিন্তু সেই সম্পর্ক বেশিদিন টেকেনি। তিন বছরের মাথায় সংসার ভাঙে তাঁদের। তার পরে ১৯৯০ সালে রাজেশ খট্টরের সঙ্গে সংসার পাতেন অভিনেত্রী। কিন্তু বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁদের। শেষে রাজা আলি খানের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন নীলিমা। পাঁচবছর পরে সেই সম্পর্কও ভেঙে যায়।