Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৬ মে ২০২২ ই-পেপার

URL Copied

বিনোদন

চরিত্রের প্রয়োজনে মাথা কামিয়েছিলেন এই বলি তারকারা

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৭ মে ২০১৮ ১১:০১
সমান্তরাল ছবিতে যে ঝুঁকিটা নেওয়া সহজ, মূল ধারার ছবিতে ততটা নয়। পর্দায় নিজেদের সৌন্দর্য মেলে ধরাটা সেখানে আবশ্যিক। কিন্তু, চরিত্রের প্রয়োজনে সে ঝুঁকিটা নিয়েছিলেন বেশ কয়েক অভিনেতা ও অভিনেত্রী। কোনও রকম প্রস্থেটিক মেকআপ ছাড়াই বাস্তবে মাথা ন্যাড়া করে ফেলেছিলেন তাঁরা। এক নজরে দেখে নিন এই তারকাদের নাম।

শাবানা আজমি: ২০০৫ সালে দীপা মেহতার বিতর্কিত ছবি ‘ওয়াটার’-এর জন্য প্রথমে বাছা হয়েছিল শাবানা আজমিকে। সেই সময় মূল ধারার ছবির সমীকরণই পাল্টে দিয়েছিলেন নায়িকা। ছবির জন্য মাথা ন্যাড়া করে সমালোচিতও হয়েছিলেন তিনি। পরে অবশ্য শাবানা বদলে অন্য নায়িকাকে ছবির জন্য বাছেন দীপা।
Advertisement
নন্দিতা দাস: বারাণসীতে বিধবাদের জীবন ও নারী বিদ্বেষের নানা পর্যায়ে নিয়ে তৈরি হয়েছিল ‘ওয়াটার’। মুক্তির আগেই সেন্সর বোর্ডের ধাক্কা সামলাতে হয় ছবিটিকে। চরিত্রের প্রয়োজনে মাথা কামিয়ে ফেলতেও দ্বিধা করেননি নন্দিতা। তিনিই প্রথম এই সাহসী পদক্ষেপ করে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন। পরে অবশ্য নন্দিতার ফিল্মটি করা হয়নি।

লিজা রে: দীপা মেহতার ইন্দো-কানাডীয় ছবি ‘ওয়াটার’-এ মূল ভূমিকায় ছিলেন ধূসর-নয়না এই নায়িকা। শুধু মাথা কামিয়েই সাহসী পদক্ষেপ করেননি লিজা, ছবিতে তাঁর অভিনয় মুগ্ধ করে দর্শককে।
Advertisement
তনুজা: ২০১৩ সালে মুক্তি পায় তনুজা অভিনীত মারাঠি ছবি ‘পিত্রুরুন’। সেই ছবিতে অভিনয় করতে গিয়ে মাথা ন্যাড়া করতে হয়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেত্রী তনুজাকে।

তানভি আজমি: সঞ্জয় লীলা ভন্সালীর ‘বাজিরাও মস্তানি’ ছবিতে বাজিরাওয়ের মাকে মনে আছে? এই চরিত্রে সাবলীল অভিনয় করে যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন তানভি। চরিত্রের প্রয়োজনে মাথা কামাতেও দ্বিধা করেননি তিনি।

সীমা বিশ্বাস: দীপা মেহতার ‘ওয়াটার’ ছবিতে একটি বিশেষ চরিত্রের জন্য মাথা ন্যাড়া করতে দেখা গিয়েছিল সীমাকে। বরাবরই সাহসী চরিত্রে নিজেকে মেলে ধরেছেন সীমা। ‘ব্যান্ডিট কুইন’ ছবিতে নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করে সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি।

রিঙ্কু কর্মকার: শুধু বলি নায়িকারা নন, নিজেদের ভেঙেচুরে অন্য রকম করে পেশ করার দিকে ঝুঁকেছেন টেলি ধারাবাহিকের নায়িকারাও। ‘ইয়ে ওয়াদা রাহা’ টেলি ধারাবাহিকে কোনও রকম কৃত্রিম-মেকআপ ছাড়াই মাথা ন্যাড়া করে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন রিঙ্কু।

শাহিদ কপূর: ‘হায়দর’ শুধু ছবিই নয় বরং বলা যায় শাহিদের কেরিয়ারের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট। ছবিটিতে লুক নিয়ে ঝুঁকির এক্সপেরিমেন্ট করেছেন শাহিদ। চকোলেট হিরো নয়, বরং ছক ভাঙা চরিত্রে তাঁর অভিনয় মুগ্ধ করে দর্শকদের।

সঞ্জয় দত্ত: ‘অগ্নিপথ’-এর রিমেকে সুপারহিরো নয় বরং ভিলেনের চরিত্রে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন সঞ্জয়। তাঁর লুক যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছিল বক্স-অফিসে। প্রস্থেটিকের সাহায্য না নিয়ে মাথা কামিয়েই খলনায়ক ‘কাঞ্চা চিনা’কে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তিনি।

অন্তরা মালি: বি-টাউনে তেমনভাবে নজির গড়তে না পারলেও একটু অন্য রকম চরিত্রে নিজেকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন অন্তরা। ২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অ্যান্ড ওয়ান্স এগেন’ ছবিতে ‘সাবিত্রী’ চরিত্রের জন্য মাথা ন্যাড়া করে ফেলেছিলেন নায়িকা।