Advertisement
১২ জানুয়ারি ২০২৬
Top 10 Military Power in World

আমেরিকার ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে চিন, প্রথম ১০-এ নেই পাকিস্তান, ফৌজিশক্তিতে কোথায় দাঁড়িয়ে ভারত?

সামরিক বলে কোন দেশ কতটা বলীয়ান তা বিচার-বিশ্লেষণ করে তালিকা তৈরি করে ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স’। সেই তালিকায় কত পয়েন্ট পেল ভারত? প্রথম স্থান দখল করল কোন দেশ?

আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৩৯
Share: Save:
০১ ১৯
Top 10 Military Power in World

শত্রু দেশের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে বিমান হামলা থেকে শুরু করে সেখানকার প্রেসিডেন্টকে ‘অপহরণ’। গত এক বছরে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনায় পেশিশক্তি দেখিয়েছে বিশ্বের একাধিক দেশ। এ-হেন পরিস্থিতিতে সামরিক শক্তিতে এগিয়ে কোন কোন রাষ্ট্র? প্রতিরক্ষা সক্ষমতা কতটা বেড়েছে ভারতের? এই নিয়ে জল্পনার মধ্যেই ফৌজিশক্তির নিরিখে দুনিয়ার ১৪৫টা দেশের একটি সমীক্ষা রিপোর্ট প্রকাশ করল ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স’, যা প্রকাশ হতেই তার চুলচেরা বিশ্লেষণে মেতে উঠেছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের একাংশ।

০২ ১৯
Top 10 Military Power in World

সাম্প্রতিক সময়ে জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশ। জাতীয় স্বার্থে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ঘর গোছাচ্ছে ভারতও। আর তাই ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার’-এর সমীক্ষা রিপোর্টকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশ্লেষকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, এর মাধ্যমে রণাঙ্গনে কে কতটা সমরকুশলতা দেখাতে পারবে, তার আন্দাজ পাবেন দুঁদে কমান্ডারেরা। প্রতি বছরই এই রিপোর্ট প্রকাশ করে থাকে সংশ্লিষ্ট সমীক্ষক সংস্থা।

০৩ ১৯
Top 10 Military Power in World

ফৌজিশক্তির নিরিখে ১৪৫টি দেশের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর নজর দিয়েছে ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার’। সেগুলি হল সেনার সংখ্যা, সমরাস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জামের মান ও পরিমাণগত উৎকর্ষ, সেনা সন্নিবেশের কৌশলগত অবস্থান, এমনকি সংশ্লিষ্ট দেশের আর্থিক হাল। পাশাপাশি, সামরিক বাজেট এবং কার হাতে কী ধরনের গণবিধ্বংসী বা ‘গেম চেঞ্জার’ অস্ত্র রয়েছে, সে দিকেও নজর রেখেছেন সমীক্ষকেরা।

০৪ ১৯
Top 10 Military Power in World

মোট ৬০টি আলাদা আলাদা বিষয় বিচার-বিশ্লেষণ করে এই তালিকা তৈরি করেছে ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স’। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেট। এর মধ্যে সমরাস্ত্র এবং সৈনিকদের জন্য কত টাকা ব্যয় বরাদ্দ হচ্ছে সে দিকে সর্বাধিক নজর দিয়েছেন সমীক্ষকেরা। এ ছাড়া কোন দেশ কী কী অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে অধিকারী রয়েছে তালিকা তৈরির সময় সেই খুঁটিনাটি বিষয়গুলিও বিচার করেছে ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার’।

০৫ ১৯
Top 10 Military Power in World

সংশ্লিষ্ট সমীক্ষায় রেটিং দেওয়ার নিয়মটি ভারী অদ্ভুত। এখানে ১০০ মানদণ্ডের উপর ভিত্তি করে নম্বর দেয়নি ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার’। বর‌ং শূন্যকে সূচক ধরে দেওয়া পয়েন্টের নিরিখে এই তালিকা তৈরি করেছে তারা। অর্থাৎ, যে দেশের প্রাপ্ত নম্বর শূন্যের যত কাছে, তার র‌্যাঙ্কিং তত উপরে। আসুন দেখে নেওয়া যাক এক থেকে দশের মধ্যে কোন কোন দেশের নাম রয়েছে আন্তর্জাতিক সামরিক পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তালিকায়। ভারতের স্থানই বা কোথায়?

০৬ ১৯
Top 10 Military Power in World

গত বছর যে তালিকা প্রকাশ করেছিল ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার’ তার প্রথম তিনটি দেশের তালিকায় নাম ছিল আমেরিকা, রাশিয়া এবং চিনের। ২০২৫ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী এই ক্রমানুসারের কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। সামরিক শক্তির নিরিখে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ আমেরিকা। ঘাড়ের কাছে চিন নিঃশ্বাস ফেললেও ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়া সামান্য কিছু বেশি পয়েন্টের জোরে রয়েছে দু’নম্বরেই। তিন নম্বরে চিনের স্থান হলেও দুই ক্ষমতাধর রাষ্ট্রশক্তির মধ্যে পয়েন্টের কোনও তফাত নেই।

০৭ ১৯
Top 10 Military Power in World

এই তিন মহাশক্তি পেয়েছে যথাক্রমে ০.০৭৪৪ এবং ০.০৭৮৮ পয়েন্ট। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে থাকা মস্কো ও বেজিঙের প্রাপ্ত নম্বরে কোনও তফাত নেই। দু’জনেই একই নম্বর পেয়ে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শুরু করে দিয়েছে। অর্থাৎ, রাশিয়া ও আমেরিকার ঠিক ঘাড়ের নীচেই নিঃশ্বাস ফেলছে চিন। তবে যে কোনও মুহূর্তে পেন্টাগনের সমকক্ষ হয়ে উঠতে পারে ড্রাগনের ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’ বা পিএলএ।

০৮ ১৯
Top 10 Military Power in World

সৈন্যশক্তির নিরিখে বিশ্বে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে ভারত। ০.১১৮৪ পয়েন্ট পেয়ে চার নম্বরে রয়েছে নয়াদিল্লি। সৈন্যশক্তির নিরিখে ভারতের ঠিক উপরেই রয়েছে চিন। অন্য দিকে, ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার ইনডেক্স’-এর তালিকা অনুযায়ী এক থেকে দশের মধ্যে জায়গা ধরে রাখতে পারেনি পাকিস্তান। ইসলামাবাদের প্রাপ্ত নম্বর ০.২৫১৩। সামরিক শক্তিতে ভারতের থেকে বেশ কয়েক ধাপ অবনমন ঘটেছে ইসলামাবাদের।

০৯ ১৯
Top 10 Military Power in World

দু’দশক আগে ২০০৫ সাল থেকে বিশ্বের তাবড় শক্তিশালী দেশগুলির ফৌজিশক্তি সংক্রান্ত তালিকা তৈরি করে ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার’। শুরুর দিন থেকেই ফার্স্ট বয়ের তকমা ধরে রেখেছে আমেরিকা। এ বারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে সমীক্ষা সংস্থা জানিয়েছে আমেরিকার হাতে রয়েছে ২১ লক্ষ ২৭ হাজার ৫০০ সৈনিক। দেশের বাইরে অন্তত ১০০টি সেনাঘাঁটি তৈরি করে রেখেছে ওয়াশিংটন। সেখান থেকে বিশ্বের যে কোনও জায়গায় আক্রমণ শানানোর ক্ষমতা রয়েছে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের পারের ‘সুপার পাওয়ারের’।

১০ ১৯
Top 10 Military Power in World

২০২৫ সালে প্রতিরক্ষা খাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বরাদ্দ বাড়িয়ে ৮৯ হাজার ৫০০ কোটি ডলার খরচ করেছে। ২০২৩-’২৪ অর্থবর্ষে যা ছিল ৭৫ হাজার কোটি ডলার। তালিকার প্রথম পাঁচে থাকা দেশগুলির মোট প্রতিরক্ষা বরাদ্দের মধ্যে আমেরিকা একাই ৬২.৩ শতাংশ ব্যয় করে থাকে। এই পরিমাণ খরচের ধারেপাশে কোনও দেশই পৌঁছোতে পারেনি। এমনকি আমেরিকার ‘চিরশত্রু’ রাশিয়াও নয়। তবে এ ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষা বাজেটের নিরিখে রাশিয়াকে টপকে গিয়েছে চিন।

১১ ১৯
Top 10 Military Power in World

লালফৌজের জন্য বেজিং ২০২৫ অর্থবর্ষে ২৬ হাজার ৬৮৫ কোটি ডলার খরচ করেছে বলে সমীক্ষা সংস্থা সূত্রে প্রকাশ। পাঁচটি দেশের মোট বরাদ্দের মধ্যে ১৮.৬ শতাংশ খরচ করেছে চিন। সৈন্যশক্তির দিক থেকে র‌্যাঙ্কিংয়ের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের সামরিক বাজেট। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম জানিয়েছে, বিশ্ব জুড়ে বেড়েছে নিরাপত্তাহীনতা। এর ফলে ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতের সংখ্যাও পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তাই প্রতিটি দেশই তাদের প্রতিরক্ষার ধার ও ভার বৃদ্ধিতে আর্থিক বরাদ্দের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে।

১২ ১৯
Top 10 Military Power in World

সারা বিশ্বের সৈন্যশক্তির নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রাশিয়া। মস্কোর হাতে থাকা ফৌজের সদস্যসংখ্যা ৩৫ লক্ষ ৭০ হাজার। ১৩ লক্ষ সৈন্য সক্রিয় রয়েছে। রিজ়ার্ভে থাকা সৈনিকদের সংখ্যার নিরিখে বাকি দুই মহারথীদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ভ্লাদিমির পুতিনের দেশ। ২০ লক্ষ সৈন্য রিজ়ার্ভে রেখে দিয়েছে ক্রেমলিন। মস্কোর হাতে থাকা আধা সামরিক বাহিনীর পরিমাণ আড়াই লক্ষ।

১৩ ১৯
Top 10 Military Power in World

তালিকার তৃতীয় স্থান দখল করে থাকা চিনের জনসংখ্যা আমেরিকার তুলনায় কয়েক গুণ বেশি। আর তাই বেজিঙের ‘পিপল্‌স লিবারেশন আর্মি’ (পিএলএ) আড়েবহরে বেশ বড়। লালফৌজে রয়েছে ৩১ লক্ষের বেশি সৈনিক। রিজ়ার্ভে থাকা সৈন্যের সংখ্যা ৫ লক্ষের বেশি। আমেরিকার তুলনায় কিছুটা কম। শুধু তা-ই নয়, রণতরীর সংখ্যার নিরিখে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ড্রাগনভূমি। দুনিয়ার বৃহত্তম নৌশক্তির তকমা পেয়েছে তারা। পিএলএ-র হাতে রয়েছে ৭৫৪টি নৌসম্পদ। আমেরিকার নৌবহরে রয়েছে ৪৪০টি সম্পদ। ৪১৯টি নৌসম্পদের অধিকারী রাশিয়া রয়েছে তৃতীয় স্থানে।

১৪ ১৯
Top 10 Military Power in World

এই তালিকায় ভারত রয়েছে চতুর্থ স্থানে। ‘গ্লোবাল ফায়ারপাওয়ার’-এর সমীক্ষকেরা নয়াদিল্লিকে দিয়েছেন ০.১১৮৪ পয়েন্ট। তিন বাহিনী মিলিয়ে এ দেশের মোট সৈন্যসংখ্যা ৫১ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫৫০। এর মধ্যে শুধু স্থলবাহিনীতেই রয়েছেন প্রায় ১২ লক্ষ সৈনিক। সৈন্যশক্তিতে বিশ্বে চতুর্থ স্থানে থাকলেও প্রতিরক্ষা বাজেটের নিরিখে ছ’নম্বরে রয়েছে ভারত। গত বছরের (২০২৫ সালে) ফেব্রুয়ারিতে সংসদে পেশ করা বাজেটে ২০২৫-’২৬ আর্থিক বছরের জন্য প্রতিরক্ষা খাতে ৬.৮১ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

১৫ ১৯
Top 10 Military Power in World

২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে প্রতিরক্ষায় ভারতের খরচের অঙ্ক ছিল ৬ লক্ষ ২১ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এ বারের সেনা বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় নয় শতাংশ। ২০২৪-’২৫ আর্থিক বছরে প্রতিরক্ষা খাতে ৬ লক্ষ ২১ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে কেন্দ্র। ২০২৩-’২৪ আর্থিক বছরে এটি ছিল ৫ লক্ষ ৯৩ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা। দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন (গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট বা জিডিপি) ১.৮৯ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে খরচ করছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।

১৬ ১৯
Top 10 Military Power in World

দেশের মাটিতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাণে জোর দিয়েছে নয়াদিল্লি। ‘হাইপারসনিক’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা করেছে প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা ডিআরডিও। এ ছাড়া অত্যাধুনিক ড্রোন প্রযুক্তিকে প্রতিরক্ষার কাজে লাগানোর জন্য ‘বন্ধু দেশ’ ইজ়রায়েলের থেকে উড়ুক্কু যুদ্ধাস্ত্র কিনেছে নয়াদিল্লি। ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় শক্তি বৃদ্ধি করতে একের পর এক রণতরী এবং ডুবোজাহাজ নৌবাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছে সরকার।

১৭ ১৯
Top 10 Military Power in World

ন’টি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে রাশিয়ার কাছে। সেই সংখ্যা সাড়ে পাঁচ হাজারের আশপাশে বলে জানা গিয়েছে। পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যার নিরিখে তার পরেই রয়েছে আমেরিকা। ৫,১৭৭টি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে আমেরিকার প্রতিরক্ষা ভাঁড়ারে। চিনের পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ৬০০-এর কাছাকাছি। ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রাগারে পরমাণু অস্ত্র রয়েছে প্রায় ১৮০টি। ২০২৪ সাল থেকে নয়াদিল্লি ধাপে ধাপে পরমাণু অস্ত্রভান্ডারকে আরও বিস্তৃত করেছে। পাকিস্তান ভারতের দিক থেকে নিরাপত্তাগত ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে।

১৮ ১৯
Top 10 Military Power in World

তালিকায় পাঁচ, ছয় এবং সাত নম্বর স্থানে রয়েছে যথাক্রমে দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার মহাশক্তি জাপান পেয়েছে অষ্টম স্থান। তুরস্ক এবং ইতালি যথাক্রমে নয় এবং ১০ নম্বর স্থানে রয়েছে। প্রথম ১০-এ স্থান পাওয়া দেশগুলির মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, তুরস্ক এবং ইটালি পরমাণু শক্তিধর নয়। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, পারমাণবিক হাতিয়ারের শক্তিতে বলীয়ান হওয়া সত্ত্বেও প্রথম দশে জায়গা পায়নি পাকিস্তান, ইজ়রায়েল এবং উত্তর কোরিয়া। ইজ়রায়েল রয়েছে ১৫ নম্বর স্থানে। ঠিক তার পরের জায়গাতেই ঠাঁই পেয়েছে ইহুদি রাষ্ট্রের ‘চিরশত্রু’ ইরান।

১৯ ১৯
Top 10 Military Power in World

পাকিস্তান এই তালিকায় পেয়েছে ১২তম স্থান। ইসলামাবাদের প্রাপ্ত নম্বর ০.২৫১৩। ২০২৪ সাল থেকে আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের সঙ্গে চলা সীমান্ত সংঘর্ষ পাক সেনার র‌্যাঙ্কিংয়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞেরা। একসময় এই তালিকায় সাত বা আট নম্বর স্থানে থাকত ইসলামাবাদের নাম।

সব ছবি:সংগৃহীত।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, X (Twitter), Facebook, Youtube, Threads এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement

Share this article

CLOSE

Log In / Create Account

We will send you a One Time Password on this mobile number or email id

Or

By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy