Advertisement
০৭ ডিসেম্বর ২০২২

বাড়ির কোন কোণে কী থাকলে কী রোগ হয় জেনে নিন

বাড়ি সাজানো নিয়ে একটু সচেতন থাকলেই অনেকটা রোগমুক্ত থাকা যায়। দেখে নেওয়া যাক বাড়ির কোন কোণে কী থাকলে কী রোগ হয়।

শ্রীমতী অপালা
শেষ আপডেট: ২৭ জুলাই ২০১৯ ০০:০৫
Share: Save:

নিজেকে সুস্থ রাখতে কে না চায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে ভগবানের কাছে সব প্রার্থনার মধ্যে বিশেষ একটি প্রার্থনা থাকে নিজেকে নীরোগ রাখার। তবে সুস্থ থাকা খুব একটা সহজ ব্যাপার নয়। আমরা আমাদের বাড়িতে এমন কিছু ভুল করে ফেলি,যার প্রভাব আমাদের শরীরের ওপর পড়ে। বাড়ি সাজানো নিয়ে একটু সচেতন থাকলেই অনেকটা রোগমুক্ত থাকা যায়। দেখে নেওয়া যাক বাড়ির কোন কোণে কী থাকলে কী রোগ হয়।
• যদি বাড়ির শোবার ঘর ঈশান কোণে হয়, তা হলে অনিদ্রাজনিত রোগ এবং রক্তচাপ বৃদ্ধি পাবে।
• যদি বাথরুম ঈশান কোণে হয়, তা হলে দুশ্চিন্তা বাসিন্দাদের পিছু ছাড়ে না।

Advertisement

আরও পড়ুন:শনি ও রাহুর কুপ্রভাবে ভুগছেন? জীবনে সাফল্য আনতে এই কুঅভ্যাসগুলো ত্যাগ করুন

• যে বাড়িতে পচা নলকূপ, কুয়ো বা ট্যাঙ্কের বদ্ধ জল দূষিত হয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, সেখানে বাচ্চারা তাড়াতাড়ি অসুস্থ হয়ে পড়বে। তাই পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখতে হবে।
• যে সকল গাছের গুঁড়ি থেকে দুধ জাতীয় পদার্থ নিঃসৃত হয়, সেই গাছ বাড়িতে থাকলে বাড়ির বাসিন্দাদের সর্দি, ফুসফুস সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়।
• শোবার ঘর এবং বসার ঘরের রং অবশ্যই হালকা করবেন যদি পারিবারিক কলহ, পারস্পারিক বিবাদ-ঝগড়াকে এড়াতে চান। এর ফলে উত্তেজনা কম হয় এবং সম্পর্কে মাধুর্য বেড়ে যায়। ঘুম খুব ভাল হয় কারণ হালকা রঙে মন শান্ত থাকবে। রক্তচাপ,মাথার যন্ত্রণা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। দৃষ্টিশক্তি বাড়বে।
• বাড়ির উত্তর বা পূর্ব দিকে রাস্তা থাকলে বাসিন্দাদের মানসিক সমস্যা হয় না। এটা স্বাস্থ্যের জন্য খুব শুভ।
• অগ্নি কোণে জলের ব্যবস্থা থাকলে বাসিন্দাদের পেটের অসুখ হতে পারে।
• যদি ভারী জিনিস বায়ু কোণে রাখা হয়, তা হলে গ্যাস, পেটের সমস্যা, হাড়ের সমস্যা, মানসিক অশান্তি বৃদ্ধি পায়।
• বাড়িতে বাঁশগাছ লাগালে হার্ট ও রক্ত সংক্রান্ত যে কোনও সমস্যা বৃদ্ধি পাবে।

Advertisement
(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)
Follow us on: Save:
Advertisement
Advertisement

Share this article

CLOSE
Popup Close
Something isn't right! Please refresh.