×

আনন্দবাজার পত্রিকা

Advertisement

০৫ মার্চ ২০২১ ই-পেপার

নজরে লাদাখ, আজ মস্কোয় মুখোমুখি রাজনাথ ও চিনা প্রতিরক্ষামন্ত্রী

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ ১২:৪২
গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।

গ্রাফিক: শৌভিক দেবনাথ।

সামরিক স্তরে দফায় দফায় বৈঠক হলেও লাদাখ নিয়ে এখনও পর্যন্ত সমাধানে এসে পৌঁছতে পারেনি দুই দেশই। তাই এ বার বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে উদ্যোগী হল ভারত ও চিন। রাশিয়ার মস্কোয় এই মুহূর্তে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর বার্ষিক সম্মেলন চলছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় সেখানেই মুখোমুখি বৈঠকে বসতে পারেন দু’দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ ও উই ফেঙ্গে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় (এলএসি) কী ভাবে স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হবে দু’জনের মধ্যে।

জেনারেল উই ফেঙ্গে চিনেরা ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর কম্যান্ডার ছিলেন। বর্তমানে চিনের স্টেট কাউন্সিলরও তিনি। সেন্ট্রাল মিলিটারি কমিশনের সদস্যও। ভারত ও চিন, দুই দেশের প্রশাসনিক কর্তাদের মধ্যে লাদাখ নিয়ে এমন বৈঠক এই প্রথম। তাই বৈঠকের নির্যাস কী বেরিয়ে আসে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে কূটনৈতিক মহল।

চলতি বছরের মে মাসে লাদাখে এক তরফা ভাবে স্থিতাবস্থা নষ্ট করে চিনা বাহিনী। তার পর থেকে যত দিন গিয়েছে, উত্তেজনা ততই বেড়েছে সেখানে। জুন মাসে প্যাংগং হ্রদের তীরে সংঘর্ষও বাধে দু’পক্ষের মধ্যে। তার রেশ কাটিয়ে ওঠার আগেই গত মাসের শেষ দিকে ফের সেখানে সামরিক পদক্ষেপ করে সংঘর্ষে প্ররোচনা দেয় চিন। তবে প্যাংগংয়ের উত্তরে ফিঙ্গার-৪ এলাকায় সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে ভারত। এলএসি-তে এখনও মুখোমুখি অবস্থান করছে দুই পক্ষ।

Advertisement

আরও পড়ুন: বৈঠক চাইলেন চিনা মন্ত্রী ॥ উত্তেজনার জন্য চিনই দায়ী: দিল্লি​

আরও পড়ুন: রিয়ার বাড়িতে এনসিবি-র হানা, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক শৌভিক ও স্যামুয়েল​

এমন অবস্থায় আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই সীমান্তের বিষয়টি মীমাংসা করা প্রয়োজন বলে দু’তরফেই দাবি উঠছিল। এ নিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, ‘‘সীমান্তে যা ঘটবে, তার প্রতিফলন দেখা দেবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। কূটনৈতিক পথেই সমাধান খুঁজতে হবে।’’ ভারতে চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র জি রং জানান, ‘‘সীমান্তের বিষয়টির শান্তিপূর্ণ মীমাংসার জন্য বেশ কিছু দিন ধরে কথাবার্তা চালু রয়েছে। ভারত-চিন সীমান্তে যুক্তিগ্রাহ্য, ন্যায্য এবং উভয় পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য সূত্র বার করার জন্য চিন বরাবরই সক্রিয়।’’

তার পরেই আলোচনার কথা এগোয়। রাজনাথ ও উই ফেঙ্গের বৈঠক হলে তার পর আগামী ১০ সেপ্টেম্বর মস্কোয় চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন এস জয়শঙ্করও।

Advertisement