Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

০৮ অগস্ট ২০২২ ই-পেপার

URL Copied
Something isn't right! Please refresh.

Tejas: চিনা জেএফ-১৭ নয়, ভারতের তেজস যুদ্ধবিমানই প্রথম পছন্দ মালয়েশিয়ার

ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হ্যালকে ৮৪টি যুদ্ধবিমান তৈরির বরাত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি।

সংবাদ সংস্থা
নয়াদিল্লি ০৪ জুলাই ২০২২ ২১:০৬
Save
Something isn't right! Please refresh.
ভারতীয় বায়ুসেনার তেজস।

ভারতীয় বায়ুসেনার তেজস।
ফাইল চিত্র।

Popup Close

রুশ যুদ্ধবিমান মিগ-২৯-এর পরিবর্ত হিসেবে ভারতীয় ফাইটার জেট তেজসকে বেছে নিতে পারে মালয়েশিয়া সরকার। তেজস যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ‘হিন্দুস্থান অ্যারোনটিক্যালস লিমিটেড’ (হ্যাল)-এর ডিরেক্টর আর মাধবন সোমবার এ কথা জানিয়েছেন।

দীর্ঘ পরীক্ষা-পর্বের পরে গত বছরের গোড়ায় দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ৮৩টি হালকা যুদ্ধবিমান তেজসের উন্নত সংস্করণ মার্ক-১ এ কেনার বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি। তার পরেই বাণিজ্যিক ভিত্তিতে এর উৎপাদন শুরু করেছে হ্যাল। এই পরিস্থিতিতে মালয়েশিয়া সরকার আড়াই দশকের পুরনো মিগ-২৯-এর পরিবর্ত হিসেবে ভারতীয় তেজসকে বেছে নেওয়ার ‘বার্তা’ দিয়েছে বলে জানান মাধবন। তাঁর দাবি, কুয়ালা লমপুরের পছন্দের তালিকায় এখন প্রথম স্থানে রয়েছে তেজস।

মাধবন বলেন, ‘‘আমি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পর্কে খুব আত্মবিশ্বাসী। যদি না কিছু গুরুতর রাজনৈতিক পট পরিবর্তন ঘটে তবে তা কার্যকর হবে। আলোচনা প্রায় শেষ পর্যায়ে। আমরাই একমাত্র দেশ যারা মালয়েশিয়ার বিমানবাহিনীকে তাদের রুশ সুখোই-৩০ বিমানের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সহায়তা করছি।’’ তিনি জানান, রাশিয়া ছাড়া, ভারতই কেবলমাত্র কুয়ালা লমপুরকে তাদের সুখোই বহরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা করতে পারে।

Advertisement

‘লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফ্‌ট’ গোত্রের তেজস সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। চিনের জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের তুলনায় তেজসের নয়া সংস্করণ প্রযুক্তিগত উৎকর্ষে এগিয়ে বলে মালয়েশিয়া বিমানবাহিনীর বিশেষজ্ঞেরা ইতিমধ্যেই রিপোর্টে জানিয়েছেন বলে ‘হ্যাল’-এর একটি সূত্রের দাবি। প্রসঙ্গত, হালকা যুদ্ধবিমান উৎকর্ষের মাপকাঠিতে তেজসের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলনায় আসে চিনা জেএফ-১৭।

তেজসকে ‘অ্যাক্টিভ ইলেকট্রনিক্যালি স্ক্যান্‌ড অ্যারো রেডার’ (এএসইএ), মিড এয়ার ফুয়েলিং এবং‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত করার কাজও প্রায় সম্পূর্ণ করে ফেলেছে হ্যাল। ইতিমধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীর বিমানবাহী জাহাজ আইএনএস বিক্রমাদিত্যে সফল উড়ান এবং অবতরণ পরীক্ষা হয়েছে তেজসের। ফলে অদূর ভবিষ্যতে বায়ুসেনার পাশাপাশি ভারতীয় নৌসেনাতেও দেখা যেতে পারে এই যুদ্ধবিমানকে।

(সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। ফলো করুন আমাদের Google News, Twitter এবং Instagram পেজ)


Something isn't right! Please refresh.

Advertisement