Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

২৮ নভেম্বর ২০২১ ই-পেপার

লাইফস্টাইল

ধূপকাঠির ধোঁয়া এবং গন্ধ শরীরের কী কী ক্ষতি করে জানেন?

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১২:২৯
পুজো হোক বা বাড়িতে কোনও শুভ অনুষ্ঠান, সুগন্ধী ধূপকাঠি ছাড়া ভাবাই যায় না। কিন্তু জানেন কি, ধূপকাঠির ধোঁয়া এবং গন্ধ শরীরের কী মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে? বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, ধূপকাঠিতে সুন্দর গন্ধ তৈরি করতে এমন কিছু রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, যার থেকে হতে পারে নানা মারণ রোগ। এক ঝলকে দেখে নিন কী সেগুলি?

ক্যানসার: ২০১৫ সালে চিনের বিজ্ঞানীরা জানান, ধূপকাঠিতে ক্ষতিকর জেনোটক্সিন (রাসায়নিক যা জিনের মধ্যে বদল আনতে পারে) এবং সাইটোটক্সিন (রাসায়নিক যা কোষের ক্ষতি করে) থাকে যার থেকে হতে পারে ক্যানসারের মতো মারণ রোগ। ‘এনভায়রনমেন্টাল কেমিস্ট্রি লেটারস’ নামক বিজ্ঞান পত্রিকায় এই গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়।
Advertisement
জেনেটিক মিউটেশন: ‘সাউথ চায়না ইউনিভার্সিটি’র গবেষক রং ঝউয়ের মতে, ধূপকাঠির মধ্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক জেনোটক্সিন জিনের (ডিএনএ, আরএনএ) সমূহ ক্ষতি করে। জেনাটক্সিনকে বলা হয় ‘মিউটাজেন’ যা ‘মিউটেশন’ বা জিনগত তথ্যের মধ্যে বদল আনতে পারে, যার ফলে ক্যানসার বা নানা রকম জটিল জিনগত রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে।

শ্বাসনালীর সমস্যা: ধূপকাঠির ধোঁয়ায় থাকে দূষিত পদার্থ যা শ্বাসনালীর মাধ্যমে শরীরে ঢুকে ফুসফুসের নানা ক্ষতি করে। বিশেষজ্ঞেরা জানাচ্ছেন, অনেকক্ষণ ধূপকাঠি জ্বালিয়ে তার সামনে বসে থাকলে সর্দি, কাশি ছাড়াও শ্বাসের সমস্যা হতে পারে।
Advertisement
হাঁপানি: ‘ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলিনা’-র একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ধূপকাঠি জ্বালালে তার থেকে ক্ষতিকর কার্বন মনোক্সাইড, ফরম্যালডিহাইড এবং নাইট্রোজেনের অক্সাইড তৈরি হয় যা ফুসফুসে গিয়ে হাঁপানি এবং সিওপিডি (ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিসিস)-র মতো রোগ তৈরি করে।

হৃদরোগ: সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যারা প্রতিদিন বাড়িতে ধূপকাঠি জ্বালান তাঁদের মধ্যে ১০ শতাংশের মৃত্যু হয় হৃদরোগে, ১২ শতাংশের মধ্যে সম্ভাবনা থাকে স্ট্রোক হওয়ার। রক্তচাপ বৃদ্ধি এবং হার্টের নানা দূরারোগ্য রোগও শরীরে বাসা বাঁধতে পারে বলে মত গবেষকদের।

অ্যালার্জি: ধূপের ধোঁয়া থেকে চোখ এবং ত্বকের নানা অ্যালার্জি জনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞেরা। বাড়তে পারে ডারমাটাইটিস বা একজিমার মতো ত্বকের প্রদাহজনিত রোগ।