ফ্যাশনেবল জুতো পছন্দ সকলেরই। তবে ট্রেনার্স পা স্নিকার্সের উপর দুর্বলতা একটু বেশি-ই। যে কোনও পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে যায় সেগুলি। আবার পায়ে গলিয়েও আরাম। কিন্তু সেই জুতো কিনতে যদি কড়কড়ে ৬০ হাজার টাকা বেরিয়ে যায়?  আর তার বদলে হাতে আসে একজোড়া ধূলো-ময়লা লাগা নোংরা জুতো? তাহলে পায়ে ছ্যাঁকা লাগতে বাধ্য।

পায়ে না হলেও, মধ্যবিত্তের চোখে জ্বালা ধরাতে এ বার এমনই সম্ভার সামনে এনেছে ইতালির বিখ্যাত ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘গুচি’। ‘ডিসট্রেসড লেদার’ নামে বাজারে নয়া ট্রেনার্স পা স্নিকার্স এনেছে তারা। যা দেখতে অবিকল ৭০ এবং ৮০ দশকের টেনিস জুতোর মতো। তবে ঝকঝকে নতুন রঙ নেই তাতে। দেখলে মনে হবে হয়ত ধূলো-বালি মাখিয়ে আনা হয়েছে।

মোট চার ধরনের জুতো আনা হয়েছে বাজারে। তিনটি রঙের মধ্যে বেছে নিতে হবে ক্রেতাদের। ধোয়াধুয়ির বালাই নয়। দাম যখন ৬০ হাজার, তার মানে টেকসইও হবে। ‘ডার্টি স্নিকার্স’ নামে লোকের মুখে মুখে এখন ফিরছে জুতোগুলি। যদিও কেনার লোক কম। বরং সোশ্যাল মিডিয়ায় মস্করা করতেই ব্যস্ত সকলে।

চার ধরনের জুতো েনেছে ‘গুচি’।

আরও পড়ুন: রুপোর জিনিস উজ্জ্বল করুন এই সব ঘরোয়া উপায়ে​

আরও পড়ুন: কোনওটায় ট্যাঙ্কের ইঞ্জিন, কোনওটা ১৭ ফুট উঁচু! এই বাইকগুলি দেখেছেন?​

 

নোংরা জুতো কীভাবে ফ্যাশনেবল হতে পারে তা মাথায় ঢুকছে না অনেকেরই। আকাশছোঁয়া দাম শুনে আবার বিস্মিত হয়েছেন নেটিজেনরা। তাদের দাবি, ৬০ হাজার টাকা বেতন ক'জনের জোটে ঠিক নেই। অত দামের জুতো কিনে কী হবে! কেউ কেউ আবার পুরো ব্যাপারটাকেই বড়লোকদের মতিভ্রম বলে উল্লেখ করেছেন। ধনীদের পরামর্শও দিয়েছেন অনেকে। তাঁদের যুক্তি, বড়লোকের ছেলেমেয়েদের সাধারণত দেমাক হয়। তাদের জন্য এই জুতো উপযুক্ত। আর কিছু না হোক জুতো দেখিয়ে নিজেদের সাধারণ বলে প্রতিপন্ন করতে পারবে।