যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের শাস্তি লঘু করার আবেদন করল নাবালিকা ধর্ষণে সাজাপ্রাপ্ত স্বঘোষিত ধর্মগুরু আসারাম বাপু। রাজস্থানের রাজ্যপাল কল্যাণ সিংহকে লেখা একটি চিঠিতে আসারামের আবেদন, তার বয়সের কথা বিবেচনা করে শাস্তি লঘু করা হোক। কারণ, এই বৃদ্ধ বয়সে যাবজ্জীবনের শাস্তি অত্যন্ত ‘কড়া’।

আসারামের আবেদনপত্র পাওয়ার পর তা রাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন রাজ্যপাল কল্যাণ সিংহ। সেই সঙ্গে ওই আবেদনের বিশদ রিপোর্টও চেয়ে পাঠিয়েছেন তিনি। রাজ্যপালের কাছে থেকে আসারামের আবেদনপত্র জমা পড়েছে যোধপুরের কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের কাছে।

যোধপুরের কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারেই এই মুহূর্তে সাজা কাটছেন আসারাম। সংশোধনাগারের সুপার কে ত্রিবেদী জানিয়েছেন, জেলা প্রশাসন-পুলিশের কাছে ওই চিঠি জমা দিয়েছেন তাঁরা। তিনি বলেন, “আসারামের আবেদনপত্রটি পেয়েছি। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন-পুলিশের কাছে কাছ থেকে একটি সবিস্তার রিপোর্টে চেয়ে পাঠিয়েছি আমরা।” তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই রিপোর্ট পাওয়ার পরই তা রাজস্থানের ডিজি (কারা)-র কাছে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন
আড়াই হাজারেই চিচিং ফাঁক, খুলে যাবে ‘আধার’-এর দেওয়াল!

উত্তরপ্রদেশের শাহজহানপুরের ১৬ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ করেছিল, ২০১৩ সালের ১৫ অগস্ট রাতে জোধপুরের কাছে মানাই এলাকায় নিজের আশ্রমে ডেকে এনে তাকে ধর্ষণ করে আসারাম। এর আগে মধ্যপ্রদেশের ছিন্দওয়াড়ায় আসারামের আর একটি আশ্রম থেকে পড়াশোনা করত সে। ওই নাবালিকার অভিযোগের ভিত্তিতে সে বছরের সেপ্টেম্বরে ইনদওর থেকে আসারামকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন
নিজামদের সোনার টিফিন বাক্সেই প্রতি দিন খাবার খেত চোর!

দীর্ঘ শুনানির পর নাবালিকা ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত হয় ৭৭ বছরের আসারাম বাপু। চলতি মাসের ২৫ এপ্রিল আসারামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা শোনায় যোধপুরের একটি আদালত। ইতিমধ্যেই সেই রায়ের বিরুদ্ধে গত ২ জুলাই হাইকোর্টে আবেদন করে আসারাম। তবে সেই আবেদনের শুনানি এখনও শুরু হয়নি।

 

(দেশজোড়া ঘটনার বাছাই করা সেরা বাংলা খবর পেতে পড়ুন আমাদের দেশ বিভাগ।)