এত দিন চলেছে শুধু চাপানউতোর। অবশেষে দিল্লিতে বাড়ি বসেই পাওয়া যাবে সব সরকারি পরিষেবা। পেনশন থেকে জাতিগত শংসাপত্র কিংবা রেশনের চাল-ডাল— শুধু একটি নম্বরে ফোন করলেই তা ঘরে পৌঁছে যাবে। জানাতে হবে, শুধু কী চান এবং কোন সময়ে তা নিতে আপনার সুবিধে হবে। আগামী সোমবার, ১০ সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানীতে এই পরিষেবা চালু করতে চলেছে অরবিন্দ কেজরীবালের সরকার।

গত এক বছর ধরে এই পরিষেবা চালু করার চেষ্টায় ছিল আপ সারকার। আম আদমি পার্টির অভিযোগ, প্রকল্পটি চালু হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে কেজরীবাল সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাবে। সেই কারণে কেন্দ্রের কলকাঠিতে উপরাজ্যপাল অনিল বৈজল এত দিন প্রকল্পটি আটকে রেখেছিলেন। আপ শিবিরের মতে, লোকসভা ভোটের আগে সুষ্ঠু ভাবে ওই প্রকল্প রূপায়িত হলে তা তুরুপের তাস হবে আপের কাছে। জনসমর্থন বাড়বে। বিভিন্ন কারণে যাঁরা আপের থেকে মু্খ ঘুরিয়ে নিয়েছেন, তারাও সমর্থনে এগিয়ে আসবেন। লোকসভা ভোটে দিল্লির সাতটি আসনেই সে ক্ষেত্রে কড়া চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বিজেপি।

২০১৯-এ দিল্লির সাতটি আসন ধরে রাখা যে দলের পক্ষে সম্ভব নয়, সেটা বুঝতে পারছেন বিজেপি নেতারাও। বিজেপির মধ্যেই মীনাক্ষী লেখী বা উদিত রাজের মতো নেতাদের জিতে আসার প্রশ্নে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। বিজেপির দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে লোকসভা ভোটের প্রায় ছ’মাসেরও বেশি আগে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন কেজরীবাল। আজ টুইট করেছেন, ‘‘গত চার বছরে দিল্লির বিজেপি সাংসদেরা রাজধানীর জন্য কিছুই করেননি। আগামী নির্বাচনে আপের সাংসদেরা জিতলে দিল্লি মেট্রোর ভাড়া বাড়বে না। বা কোনও ফাইলও আটকে থাকবে না।’’