আগুন লাগল দক্ষিণ দিল্লির এমসের ট্রমা সেন্টারে। হাসপাতালের এক তলায় ওই অংশের কাছেই অপারেশন থিয়েটার। নিমেষে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত ফাঁকা করে দেওয়া হয় ওয়ার্ড। ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, কোনও হতাহতের খবরও নেই। 

দমকল সূত্রে খবর, রবিবার সন্ধে ৬টা ১৩ মিনিটে তাদের কাছে আগুন লাগার খবর আসে। দ্রুত ৪টি ইঞ্জিন পাঠানো হয়। পরে মোট ২৪টি ইঞ্জিন যায় ঘটনাস্থলে। দমকল কর্তা অতুল গর্গ জানিয়েছেন— ‘‘মাঝারি মাপের আগুন লেগেছিল। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। কোনও হতাহতের খবর নেই।’’ হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় হাসপাতালের উপরের তলাগুলোও দ্রুত ফাঁকা করে দেওয়া হয়। কিছু রোগীকে অন্য ওয়ার্ডে সরিয়ে দেওয়া হয়। তুলনায় সুস্থ রোগীদের হাসপাতাল থেকে বার করে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বেশ কিছু ক্ষণের জন্য বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ ছিল হাসপাতালে। 

প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে, শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছিল। হাসপাতালের বেসমেন্টে একটি অপারেশন থিয়েটার রয়েছে। একাংশের দাবি, সেখান থেকেই আগুন ছড়িয়েছিল। আগুনের জেরে একটি অক্সিজেন পাইপ থেকে গ্যাস লিক হতে শুরু করেছিল। সেটিকেও দ্রুত সারানো হয়েছে। 

এই নিয়ে শুধু মার্চ মাসেই চারটি অগ্নিকাণ্ড ঘটল দিল্লিতে। ৬ মার্চ সিজিও কমপ্লেক্সের পণ্ডিত দীনদয়াল অন্ত্যদয় ভবনের ছ’তলায় বড় আগুন লাগে। সে বার দমকলের ২৫টি ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ১৯ মার্চ আগুন লাগে পশ্চিম দিল্লির জনকপুরিতে। কালও আগুন লেগেছিল দিল্লির দিলশাদ গার্ডেন এলাকায়। সব চেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি হয়েছিল ফেব্রুয়ারিতে করোলবাগ এলাকার হোটেল অর্পিত প্যালেসে। ১৭ জন মারা যান ওই ঘটনায়।