প্রতিপক্ষকে মাত করতে তাদেরই অস্ত্র তুলে নিয়েছেন রাহুল গাঁধী। শুধু হাতে তুলে নেওয়া নয়, নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহদের সংগঠন মজবুত করা বা প্রচারের কৌশলকে আরও বেশি দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করাই লক্ষ্য কংগ্রেস সভাপতির। জনতার কাছে পৌঁছতে, সরকারের সাফল্যের কথা তাদের জানাতে মোদীর হাতিয়ার যদি তাঁর নমো অ্যাপ, মাইগভ ওয়েবসাইট বা রেডিয়ো অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’— রাহুলের অস্ত্র তবে ‘বিদ্যা’ ও ‘শক্তি’। ‘বিদ্যা’ সফটওয়্যারের মাধ্যমে রাহুল কান পাতার চেষ্টা করছেন মাটির কাছে। তথ্যপ্রযুক্তির প্রয়োগে জনসংযোগ বাড়াতে, তথ্য জানাতে ও মানুষের মনোভাব বুঝতে যা সাহায্য করছে তাঁকে। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে রাহুল এ বছরই গড়েছেন ‘শক্তি’। এটা এমন একটা ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে গোটা দেশের কংগ্রেস কর্মীরা রাহুলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। রণকৌশলের ধার শুধু নয়, অমিত শাহের সাফল্যের আর এক চাবি বুথ ধরে ধরে সংগঠন মজবুত করা। বুথ স্তর পর্যন্ত সংগঠনকে চাঙ্গা ও সক্রিয় রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন রাহুলও। লোকসভা ভোটের আগে, সেমিফাইনাল তথা পাঁচ রাজ্যের ভোটেই এই ‘বিদ্যা’ ও ‘শক্তি’-র কার্যকারিতার পরীক্ষা হয়ে যাবে।