আগামী দিনে কোনও ব্যক্তি সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপে যুক্ত রয়েছে বলে সন্দেহ হলে তাকে জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করার ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থাকে (এনআইএ)। এ যাবৎ কেবল কোনও গোষ্ঠী বা সংগঠনকে সন্ত্রাসবাদী বলে ঘোষণা করার অধিকার ছিল তাদের।

আজ ইউএপিএ আইনের ৪ নম্বর ধারায় পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত হয় মন্ত্রিসভায়, যাতে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জঙ্গি বলে ঘোষণা করার সুযোগ থাকছে। এ দিন একাধারে এনআইএ এবং ইউএপিএ আইনে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। অনেকের মতে, যারা মাওবাদীদের পরোক্ষে সমর্থন করে থাকেন, তাদের কথা ভেবেই ওই আইন বদলাতে চলেছে সরকার। বিরোধীদের আশঙ্কা, রাষ্ট্রের যদি মনে হয় কেউ সরকার বিরোধিতায় মুখ খুলছেন, তাকেও তার মানে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে ঘোষণা করা যাবে। নতুন এই সংশোধনী নিয়ে অবশ্য এখনই মুখ খুলতে চাইছেন না স্বরাষ্ট্র কর্তারা। একই সঙ্গে সাইবার অপরাধের বাড়বাড়ন্ত ও মানব পাচারের ঘটনা রুখতে এনআইএ আইনে নতুন ধারা আনারও সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলে দেশে ও দেশের বাইরে এনআইএ-র ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে, জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। 

গুজরাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন কড়া দমননীতি নেওয়ার নজির রয়েছে অমিত শাহের বিরুদ্ধে। সেই সময়ে একাধিক ভুয়ো সংঘর্ষ, পুলিশি বাড়াবাড়ির অভিযোগ ওঠে গুজরাত পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র দফতরের বিরুদ্ধে। মামলার মুখে গুজরাতে প্রবেশ নিষিদ্ধ হয়ে যায় অমিতের। সেই অমিত এখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ায় সেই প্রবণতা ফের লক্ষ করা যেতে পারে বলেই আশঙ্কা রয়েছে বিরোধী শিবিরে। যে ভাবে প্রথম দিন থেকেই কাশ্মীরে কড়া হওয়ার ইঙ্গিত মিলতে শুরু করেছে, তাতে ওই আশঙ্কা আরও দৃঢ় হয়েছে।

এবার শুধু খবর পড়া নয়, খবর দেখাও।সাবস্ক্রাইব করুনআমাদেরYouTube Channel - এ।