ধর্ষণে অভিযুক্ত বিজেপি নেতা চিন্ময়ানন্দকে পুলিশ আড়াল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করলেন নির্যাতিতা ছাত্রী। তাঁর দাবি, পুলিশ ওই নেতার বিরুদ্ধে মামলা দুর্বল করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। গত কাল চিন্ময়ানন্দকে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করে যৌন সঙ্গমের জন্য’, যা ‘ধর্ষণের সমতুল্য অপরাধ নয়’। যার প্রেক্ষিতের আইনের ওই পড়ুয়া বলেছেন, ‘‘এই ভয়টাই পাচ্ছিলাম। একে যোগ্য বিচার বলে না।’’

২৩ বছরের ওই ছাত্রী বলেছেন, ‘‘আমি উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলকে ইতিমধ্যেই বিশদে সব বলেছি। উনি কীভাবে আমায় দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছেন তা পুলিশ জানে। তার পরেও ৩৭৬ ধারা (ধর্ষণের) দেওয়া হল না।’’ উল্টে চিন্ময়ানন্দের সহযোগীদের বয়ানের ভিত্তিতে ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধেই তোলাবাজির অভিযোগ এনেছে পুলিশ। ছাত্রীর বক্তব্য, ‘‘আমার সঙ্গে কোনও ভাবেই ওই মামলার কোনও যোগ নেই। চিন্ময়ানন্দকে বাঁচানোর জন্য এটা পুলিশের চক্রান্ত।’’

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার গ্রেফতার হওয়ার পরে যাবতীয় অভিযোগ স্বীকার করে নেন চিন্ময়ানন্দ। নিজের কাজের জন্য তিনি লজ্জিত বলেও জানান। তাঁর ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে অভিযোগকারিণী বলেছেন, ‘‘যোগী আদিত্যনাথ একজন ভাল মানুষ। তাঁর জন্যই চিন্ময়ানন্দ শাস্তি পেয়েছেন। তবে যোগীজির সঙ্গে চিন্ময়ানন্দের যোগ নিয়ে যা শুনছি তা দুঃখজনক।’’