গহমরের বাসিন্দাদের জন্য ভারতীয় সেনায় যোগদান কোনও পছন্দ-অপছন্দের বিষয় নয়, এটি তাঁদের ঐতিহ্য এবং উত্তরাধিকার। প্রচলিত রয়েছে, গহমর গ্রামে শিশুপুত্রেরা নাকি খেলনা হিসাবে প্রথমে কাঠের রাইফেল হাতে তুলে নেয়। ছোট থেকেই নাকি দেশসেবার পাঠ পড়ানো হয় তাদের। গহমরের অনেক পরিবারের কাছে সন্তানের ভারতীয় সেনায় যোগদান এক অভাবনীয় গর্বের বিষয়। সম্মান এবং শান্তির জায়গাও বটে।
গহমরের বাসিন্দা ৫৬ বছর বয়সি দীনেশ সিংহের পুত্রও সেনায় কাজ করেন। সংবাদমাধ্যমে তিনি বলেছেন, “আমার ছেলে নীরজ বর্তমানে জম্মু ও কাশ্মীরের উরি সীমান্তে কর্মরত। ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীন ও আমায় ফোন করে বলে যে সীমান্তসংঘাত তীব্র হয়ে উঠেছে। গোলাগুলি চলছে। আগামী তিন-চার দিন ওকে ফোনে পাওয়া যাবে না বলেও জানিয়েছিল। ঠিক তিন দিন পর আবার ফোন আসে। নীরজ জানায়, পরিস্থিতি খানিকটা শান্ত। আমাদের স্বস্তি ফেরে।’’
১৯৭৭ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ভারতীয় সেনায় কর্মরত প্রাক্তন সুবেদার মেজর বীর বাহাদুর সিংহ আবার বলেছেন, “আমরা যদি তখন পাক অধিকৃত কাশ্মীর পুনরুদ্ধারের জন্য অগ্রসর হতাম, তা হলে সীমান্ত সন্ত্রাসবাদের অবসান ঘটতে পারত। আজকের সেনাবাহিনী আরও শক্তিশালী। উন্নত অস্ত্র এবং প্রযুক্তি রয়েছে ওদের সঙ্গে। আমাদের জওয়ানদের দৃঢ় ভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।”
দেশের সেনা-গ্রাম হওয়ার সুবাদে অনেক উন্নতিও হয়েছে গহমরের। গ্রাম বলতে যে ছবি সাধারণত চোখের সামনে ভেসে ওঠে, গহমর ঠিক তেমনটা নয়। কলেজ, স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র এবং নিজস্ব রেলওয়ে স্টেশন থাকা গ্রামটি একটি ছোটখাটো শহরে পরিণত হয়েছে। প্রতি দিন বিহার, বাংলা এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে বহু ট্রেন থামে সেই গ্রামে।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy