তবে বন্দিদের সেই পরিকল্পনা একাই ভেস্তে দেন এক যুবা পুলিশকর্তা। দেহরক্ষী জিতেন্দ্র সিংহ এবং স্থানীয় স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অর্জুন লালকে নিয়ে একটি ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। আর তা করার জন্য তিনি সরকারি প্রোটোকল বা আচরণবিধিও ভেঙেছিলেন। তাঁর সেই সিদ্ধান্ত পরবর্তী সময়ে সে রাজ্যের পুলিশের ইতিহাসে ঠাঁই পায়।
তিন দিন ধরে জেলের প্রায় ১,২০০ বন্দি কারাগার প্রাঙ্গণকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখেন। জেল কর্তৃপক্ষকে মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। কেড়ে নেওয়া হয় জেলকর্মীদের অস্ত্র। এর পর ইম্প্রোভাইজ়ড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) এবং বাজেয়াপ্ত অস্ত্র হাতে নিয়ে ছপড়া জেলের নিয়ন্ত্রণ নেন বন্দিরা। সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি করা হয়। কর্মীদের উপর আক্রমণ চলে ক্রমাগত।
কুন্দনের পরিকল্পনা ছিল বন্দিদের বিভ্রান্ত করে ছপড়া জেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুর্বল করা এবং তিনটি আলাদা আলাদা জায়গা দিয়ে কারাগারে প্রবেশ করা, যাতে অন্তত একটি দল মূল দরজা খুলতে পারে। ওই তিনটি দলের একটিতে ছিলেন স্বয়ং কুন্দন। সঙ্গে জিতেন্দ্র এবং অর্জুন নামে আরও দুই পুলিশকর্মী। অন্য দু’টি দল কারাগারে প্রবেশ করতে না পারলেও অসমসাহসী কুন্দন সদলবলে ঢুকে পড়েন কারাগারে।
কার্বাইন হাতে নিয়ে কুন্দনেরা কারাগারের প্রশাসনিক ব্লক পেরিয়ে উঠোনে ঢুকে পড়েন। কোনও সহায়তা না থাকা এবং হাজারেরও বেশি ক্ষিপ্ত বন্দির দ্বারা বেষ্টিত থাকা সত্ত্বেও, তিন জন মূল ফটকের সামনে থেকে হাতে করে গ্যাস সিলিন্ডারগুলি টেনে সরিয়ে ফেলেন। বার্তাও পাঠান মূল ফটকের বাইরে থাকা দলকে। গ্যাসকাটার দিয়ে লোহার ফটক কাটতে শুরু করে তারা।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy