চোখ বন্ধ করে ‘বন্ধু’কে বিশ্বাস। আস্থা এতটাই ছিল যে একসময় সিন্দুক খুলে টন টন সোনা তার হাতে তুলে দিতেও কুণ্ঠা বোধ করেনি ইউরোপের ওই দেশ। কিন্তু সময়ের কাঁটা এগোতেই বদলে গেল পরিস্থিতি। পুরনো সব কিছু ভুলে গিয়ে হঠাৎই যেন কানে বেজে উঠছে শত্রুতার সুর! আর তাই তড়িঘড়ি ‘বন্ধু’র কাছে থাকা হলুদ ধাতুর সম্ভার ঘরে ফেরানোর দাবিতে সোচ্চার হয়েছে ইউরোপীয় দেশটির রাজনৈতিক মহল। তাঁদের ওই দাবির জেরে দীর্ঘ দিনের ‘প্রেম’ ভাঙতে পারে বলেও মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (১৯৩৯-’৪৫) পরবর্তী সময়ে এই দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অটুট বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে বললে অত্যুক্তি করা হবে না। সম্পর্ক এতটাই মধুর ছিল যে, দেশের স্বর্ণভান্ডারের একটা বড় অংশ আমেরিকার ভল্টে রেখে নিশ্চিন্তে ছিল বার্লিন। কিন্তু ওয়াশিংটনের প্রেসিডেন্টের কুর্সিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প আসার পরই রাতারাতি বদলে গিয়েছে সেই পরিস্থিতি। ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ভুক্ত রাষ্ট্রটিতে ঘরের সোনা ঘরে ফেরানোর দাবি জোরালো হতে শুরু করেছে।