মাটি খুঁড়লেই নাকি উঠবে টন টন বিরল খনিজ! তার দু’-একটি নমুনা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামনে পেশ করে তাঁর মন জিতে নিয়েছে পাকিস্তান। ফলস্বরূপ ইসলামাবাদের সঙ্গে তড়িঘড়ি ৫০ কোটি ডলারের বাণিজ্যচুক্তি সেরে ফেলেছে আমেরিকা। সত্যিই কি ভারতের পশ্চিমের প্রতিবেশীর কাছে আছে বিপুল বিরল খনিজের সম্ভার, না কি গোটাটাই ভাঁওতা? সমঝোতা হওয়ার তিন মাসের মাথায় ক্রমশ জোরালো হচ্ছে সেই প্রশ্ন। ফলে অস্বস্তি বাড়ছে ট্রাম্প প্রশাসনের।
গত বছরের (পড়ুন ২০২৫ সালের) অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র সফরে যান পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ় শরিফ এবং সেনা সর্বাধিনায়ক বা সিডিএফ (চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস) ফিল্ড মার্শাল আসিফ মুনির। ওই সময় হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা হলে তাঁর সামনে বিরলে খনিজে ভরা একটা সুটকেস তুলে ধরেন তাঁরা। এর পর ইসলামাবাদের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি করতে আর দেরি করেনি ওয়াশিংটন। বিনিময়ে বিপুল বিরল খনিজ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি শাহবাজ় ও মুনিরের থেকে পেয়েছে আমেরিকা।