‘সিঁদুর’-এ মার খেয়ে পাকিস্তানের ভাগ্যবদল! রাতারাতি আমেরিকার ‘নয়নের মণি’ হয়ে উঠেছে ইসলামাবাদ। ফলে সামরিক কূটনীতিকে (মিলিটারি ডিপ্লোমেসি) হাতিয়ার করে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার সুযোগ পেয়ে গিয়েছেন সেনা সর্বাধিনায়ক বা সিডিএফ (চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস) ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। তাঁর নেতৃত্বে অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রিতে জোর দিচ্ছে রাওয়ালপিন্ডি। এর জেরে রাতারাতি খবরের শিরোনামে চলে এসেছেন এক শীর্ষ সেনা অফিসার, যাঁকে দুনিয়ার অন্যতম সেরা ‘সেলসম্যান’ বললে অত্যুক্তি হবে না।
তিনি পাক বায়ুসেনাপ্রধান এয়ার চিফ মার্শাল জ়াহির আহমেদ বাবর সিধু। ‘সিঁদুর’ পর্ব মেটার পর ফিল্ড মার্শাল মুনিরের মতো তাঁকে নিয়ে অবশ্য তেমন মাতামাতি করেনি ভারত তথা পশ্চিমি গণমাধ্যম। তার কারণ অবশ্য একটাই। লড়াই থামার পর রাওয়ালপিন্ডির বিমানবাহিনীর কোমরভাঙা দশা সারা দুনিয়ার সামনে বেআব্রু হয়ে পড়ে। একের পর এক উপগ্রহচিত্রে সামনে আসতে থাকে নয়াদিল্লির ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নুর খান-সহ ইসলামাবাদের ১১টি বিমানঘাঁটির (এয়ারফিল্ড) ধ্বংসপ্রাপ্ত ছবি।