ছ’মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার (আইএমএফ)-এর প্রয়োজন পড়বে না ইসলামাবাদের! অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে আর আন্তর্জাতিক সংস্থাটির মুখাপেক্ষী থাকতে হবে না তাদের। নিকট ভবিষ্যতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার জন্য বিশেষ অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কথা বলে তেমনটাই দাবি করলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সেই দাবিতে হইচই পড়ে গিয়েছে। পাকিস্তানের অর্থনীতির হাল নিয়ে ওয়াকিবহাল মহলও তাঁর সেই দাবির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছেন না।
অর্থবর্ষের প্রথম ন’মাসের একটি হিসাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানের শাহবাজ় শরিফ সরকারের একটি রিপোর্ট বলছে, ঋণের বেড়াজাল ক্রমশ ঘিরছে ইসলামাবাদকে। গলা পর্যন্ত দেনায় হাঁসফাঁস অবস্থা ভারতের প্রতিবেশী দেশের। পাকিস্তান সরকারের প্রকাশিত ওই রিপোর্টে উঠে এসেছে গত অর্থবর্ষের (২০২৪-২০২৫) তুলনায় ১৩ শতাংশ জাতীয় ঋণ বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি। ২০২৫ অর্থবর্ষে ইসলামাবাদের ঋণ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ২৮ হাজার ৬৮৩ কোটি ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ২৫ লক্ষ ১৯ হাজার কোটি টাকারও বেশি)।