• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

খেলা

ডেবিউ বিশ্বকাপই কেরিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে এই তারকাদের

শেয়ার করুন
১৫ 1
বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কিছুক্ষণ। প্রত্যেকেই ঝাঁপাবেন যে যার নিজের দলের হয়ে সেরাটা দিতে। বহু দিন ধরে এই বিশ্বকাপ খেলার অপেক্ষায় রয়েছেন তাঁরা, অবশেষে মিলেছে সুযোগ। চলতি বছরেই এমন অনেকে বিশ্বকাপ প্রথম বার খেলবেন, যাঁদের পরবর্তী বিশ্বকাপ অর্থাৎ ২০২৩ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ প্রায় থাকছেই না বলা যায়। কারণ, বয়স। দেখে নেওয়া যাক সেই তালিকায় কারা আছেন।
১৫ 2
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এ বারের বিশ্বকাপের অন্যতম ভরসা উসমান খওয়াজা। পাক বংশোদ্ভূত এই ব্যাটসম্যান ২০১৩ সালে প্রথম ওয়ান ডে খেললেও দলে নিয়মিত হন ২০১৬ সালের পর থেকে।
১৫ 3
৩২ বছরের এই অজি দলের বড় ভরসা। পরবর্তী বিশ্বকাপে তাঁর বয়স ৩৬ পেরিয়ে যাবে। ফর্ম ধরে রেখে ওই বয়সে বিশ্বকাপ খেলা বেশ কষ্টকর খওয়াজার।
১৫ 4
নিউজিল্যান্ডের কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম ফিনিশার হিসাবে চমৎকার। মজার ব্যাপার হল, কলিন কিন্তু অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলেছেন জিম্বাবোয়ের হয়ে। পরবর্তীতে পরিবার-সহ নিউজিল্যান্ডে চলে আসেন।
১৫ 5
কিউয়িদের তরফে ‘এক্সপ্লোসিভ ইনিংস’ খেলবেন কলিন, অনুরাগীদের আশা এমনটাই। ১১০.৪৭ স্ট্রাইক রেট তাঁর একদিনের ম্যাচে। বোলার হিসাবেও চমৎকার, তবে ধারাবাহিকতা নেই ৩২ বছরের তরুণের। তাই পরবর্তী বিশ্বকাপে ৩৬-এর কলিন ফর্ম ধরে রেখে দলে থাকতে পারবেন কি না, তা নিশ্চিত নয়।
১৫ 6
নাথান লায়ন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দক্ষতা প্রমাণ করবেন এ বছরে, এমনটাই মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা। অস্ট্রেলিয়া দলটাকে ধরে রাখতে এই স্মার্ট বোলার সাহায্য করেছেন, এটাও ঠিক।
১৫ 7
টেস্টে চমৎকার পারফরম্যান্সের জেরে সুযোগ পেয়েছেন একদিনের দলে। অফ স্পিনার হিসাবে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং শক্তির বড় ভরসা তিনি। তবে ২০২৩ বিশ্বকাপে ৩৫-এর লায়ন খেলবেন বলে মনে হয় না।
১৫ 8
নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটের লেট ব্লুমার বলা হচ্ছে কলিন মুনরোকে। হার্ড হিটিং এই অলরাউন্ডারের বিধ্বংসী ইনিংসে প্রতিপক্ষ কাবু হবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।
১৫ munro
১০৫.৫২ স্ট্রাইক রেট রয়েছে তাঁর একদিনের ম্যাচে। যদিও গড় মাত্র ২৪.৯১। ৩২-এর মুনরোও পরবর্তী বিশ্বকাপে খেলবেন বলে মনে করছেন না ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।
১০১৫ marsh
অস্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটসম্যানদের অন্যতম শন মার্শ। চোট আর ধারাবাহিকতার অভাব যদিও তাঁকে তাড়া করেছে বার বার। বার বার দলে সুযোগ পেলেও প্রতিভার প্রতি সুবিচার করতে পারেননি সেই অর্থে।
১১১৫ marsh
মিডল অর্ডারে তিনি চমৎকার খেলবেন, মনে করা হচ্ছে এমনটাই। তবে ৩৫ বছরের মার্শের খুব সম্ভবত এটাই প্রথম ও শেষ বিশ্বকাপ।
১২১৫ chris
২০১৩ সালে ডেবিউয়ের পর থেকেই ক্রিস মরিস দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে মাত্র ৩৪টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন। ফিটনেস নিয়ে বারবার ভুগেছেনও তিনি।
১৩১৫ morris
মরিস প্রথমে বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ছিলেন না। পরবর্তীতে আনরিখ নর্ৎজের চোটের কারণে সুযোগ পেলেন তিনি। ৩২ বছরের মরিসের কাছে এটা বিশাল সুযোগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেরিয়ারের প্রথম এবং শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে তাঁর।
১৪১৫ kedar
কেদার যাদবের ক্ষেত্রে চোট ভুগিয়েছে বার বার। তাঁর জায়গায় ঋষভ পন্থকে নেওয়াই উচিত ছিল ভারতের বিশ্বকাপ স্কোয়াডে এ কথা বলেছেন সুনীল গাওস্করও। কিন্তু দলে সুযোগ পেয়েছেন তিনি। চোট সারিয়ে সাউদাম্পটনে পৌঁছেও গিয়েছেন আজ।
১৫১৫ kedar
২৯ বছরে ভারতীয় দলে জায়গা করে নিলেও এখন কেদার ৩৪, চলতি বছরের বিশ্বকাপে সুযোগ পেলেও পরবর্তীতে বিশ্বকাপে সুযোগ পাবেন বলে মনে হয় না।

Advertisement

সবাই যা পড়ছেন

Advertisement

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন
বাছাই খবর
আরও পড়ুন