পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৪৮ না শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ১৮৩, ধোনির সেরা ওয়ানডে ইনিংস কোনটা
বিশ্বকাপে ভারতের যাত্রা শেষ। সঙ্গে কি ধোনিরও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শেষ? এই প্রশ্নেই ঘুরপাক খাচ্ছে ধোনির ফ্যান ও সমালোচকদের মধ্যে। যদিও ধোনি নিজে এখনও কিছু জানাননি। তবে ধোনি যে ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফিনিশার তা বলার বাকি রাখে না। নজর রাখা যাক ভারতীয় এই মহাতারকার সেরা ১০টি একদিনের ইনিংসের দিকে।
বিশ্বকাপে ভারতের যাত্রা শেষ। সঙ্গে কি ধোনিরও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শেষ? এই প্রশ্নেই ঘুরপাক খাচ্ছে ধোনির ফ্যান ও সমালোচকদের মধ্যে। যদিও ধোনি নিজে এখনও কিছু জানাননি। তবে ধোনি যে ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফিনিশার তা বলার বাকি রাখে না। নজর রাখা যাক ভারতীয় এই মহাতারকার সেরা ১০টি একদিনের ইনিংসের দিকে।
ধোনি প্রথম এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শতরান করেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে। এই ম্যাচে তিনি মাত্র ১২৩ বলে ১৪৮ রান করে পাকিস্তানের বোলিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। যার ফলে ভারত ৩৫৬ রানের বিরাট লক্ষ্যমাত্রা রাখে পাকিস্তানের কাছে। যে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে ব্যর্থ হয় পাকিস্তান।
২০০৫ সালেই সম্ভবত ধোনি তাঁর জীবনের সেরা ওয়ান ডে ইনিংসটি খেলেন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২৯৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে ধোনিকে তিন নম্বরে ব্যাট করতে পাঠানো হয়। সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে ১৮৩ রানের অপরাজিতইনিংস খেলেন তিনি। যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে করা কোনও উইকেটকিপার ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ স্কোর।
২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে করা ধোনির দুর্দান্ত ১০৭ বলে ১২৪ রানের ইনিংসটিও তাঁর জীবনের অন্যতম সেরা ইনিংস ধরা হয়। কারণ, এই ইনিংসের জন্যই ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে সক্ষম হয় ভারত।
২০০৯ সালেই আরও একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। ৮১ রানের মধ্যে ভারতের ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর প্রথমে বিরাট কোহালি ও পরে সুরেশ রায়নার সঙ্গে জুটি বেঁধে ভারতের স্কোর ৩০০ পার করে দেন। যদিও দিলশানের শতরানের জন্য ম্যাচটি হেরে যায় ভারত।
আরও পড়ুন:
এরপর যে ইনিংসটির কথা না বললে এই তালিকা অসম্পূর্ণ থেকে যায় তা হল ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলা ৯১ রানের নটআউট ইনিংসটি। ভারতীয়দের কাছে ধোনির এই ইনিংসটি চির স্মরণীয় হয়েই থাকবে।
২০১২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৫৮ বলে ৪৪ রান করে ভারতের হয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেন ২ বল বাকি থাকতেই। ভারতের এই জয় দেখে জতটা সহজ মনে হয়েছিল আসলে ততটা সহজ ছিল না।
২০১২ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আরও একটি সেরা ইনিংস খেলেন মহেন্দ্র সিংহ ধোনি। মাত্র ২৯ রানে ভারতের ৫ উইকেট পরে যাওয়ার পরও ধোনির করা ১২৫ বলে ১১৩ রানের ইনিংসটির দৌলতে সম্পূর্ণ ৫০ ওভার খেলতে সক্ষম হয় ভারত। যদিও জয়ের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না।
২০১৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত ১২১ বলে ১৩৯ রানের নটআউট ইনিংসটি খেলেন ধোনি। যার ফলে ভারতের স্কোর ৭৬-৪ থেকে ৫০ ওভারে ৩০৩-৯ তে পৌঁছয়। যদিও এই রান যথেষ্ট ছিল না অস্ট্রেলিয়াকে রোখার জন্য।
আরও পড়ুন:
ঘরের মাঠে ২০১৫ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৯২ রানের আরও একটি নটআউট ইনিংস ইনিংস খেলেন ধোনি। যার ফলে ভারত ২৪৭-৯ রানের সম্মানজনক লক্ষ্যমাত্রা দিতে সক্ষম হয়। যা যথেষ্ট প্রমাণিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার মাত্র ২২৫ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার পর।
২০১৭ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ২৫ রানে ৩ উইকেট পরে যাওয়ার পরও যুবরাজের সঙ্গে ২৫৬ রানের পার্টনারশিপ করে ৩৮১ বিশাল টার্গেট দেয় ভারত। এই ম্যাচে মাত্র ১২২ বল খেলে ১৩৯ রানের ইনিংস খেলেন ধোনি। এটা ছিল ধোনির ২০১৩ সালের পর করা প্রথম শতরান।