হুসেনও ছিলেন দাউদের শত্রু। তাই ‘শত্রুর শত্রু বন্ধু’ নীতি মেনে জোট বেঁধেছিলেন হুসেন এবং স্বপ্না। দাউদের উপর বেশ কয়েক বার যৌথ ভাবে আক্রমণও চালিয়েছিলেন তাঁরা। পাশাপাশি, দাউদের ডানা ছাঁটতে তাঁর অবৈধ ব্যবসাগুলির নেটওয়ার্কও ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। দাউদ নিয়ন্ত্রিত অনেক ক্লাব এবং বারেরও দখল নিয়েছিলেন।
শীঘ্রই মুম্বইয়ের আন্ডারওয়ার্ল্ডের রানি হয়ে ওঠেন স্বপ্না। দাউদের ব্যবসার বিরুদ্ধে তাঁর পদক্ষেপ তাঁকে খ্যাতি এবং মানুষের মনে ভীতি— উভয়ই এনে দেয়। শোনা যায়, দাউদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শুধু হুসেন নন, অনেকেই তখন মদত জুগিয়েছিলেন স্বপ্নাকে। তবে নিঃশব্দে কাজ করতেন স্বপ্না। তাই অনেক চেষ্টা করেও তাঁকে বাগে আনতে পারেননি দাউদ এবং তাঁর ডি কোম্পানি।
দাউদের বিরুদ্ধে স্বপ্না দিদির সবচেয়ে দুঃসাহসিক ষড়যন্ত্র ছিল ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে। সে বার শারজায় ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন দাউদকে হত্যার পরিকল্পনা করেন স্বপ্না। দাউদ মূলত ভিআইপি এনক্লোজ়ারে বসে খেলা দেখতেন। স্বপ্না ভেবেছিলেন, হাজার হাজার দর্শকের মধ্যে দাউদকে খুন করা সহজ হবে।
স্বপ্না দিদি আজও মানুষের কাছে এক রহস্যময় নারী। তাঁর দুঃসাহস এবং দাউদকে খতম করার ধনুকভাঙা পণের কারণেই এখনও বহু মানুষের মনে রয়ে গিয়েছেন তিনি। স্বপ্নার বেশি ছবিও পাওয়া যায় না। তাঁর জীবন অনেকের কাছে এখনও রহস্য। সেই স্বপ্না দিদি ওরফে ‘মাফিয়া কুইন’-এর চরিত্রই নাকি ‘ও রোমিয়ো’ ছবিতে ফুটিয়ে তুলতে চলেছেন তৃপ্তি।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy