পরজীবীর মতো রণতরী বা ডুবোজাহাজের গায়ে লেগে থাকা। সেখান থেকেই ব্যাটারি চার্জিং। তার পর সুযোগ বুঝে শত্রুঘাঁটিতে চোরাগোপ্তা আক্রমণ! গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়ে নতুন বছরের গোড়ায় আরও এক ‘ব্রহ্মাস্ত্র’কে ফের প্রকাশ্যে আনল আমেরিকা। রুশনির্মিত সীমাহীন পাল্লার সমুদ্রের নীচের ড্রোনের পাল্টা জবাব দিতেই কি এই হাতিয়ার তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্র? এর জবাব পাওয়ার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন দুনিয়ার তাবড় প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকেরা।
ত প্রায় চার বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বার বার রণাঙ্গনের ‘গেম চেঞ্জার’ হয়ে উঠেছে পাইলটবিহীন যান বা ড্রোন। গোড়ার দিকে যা কেবলমাত্র আকাশের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ ছিল। পরে সমুদ্রের নীচের মানববিহীন যান ব্যবহার করা শুরু করে মস্কো ও কিভের নৌবাহিনী। সংশ্লিষ্ট হাতিয়ারটির সাহায্যে চোখের নিমেষে ইউক্রেনীয় রণতরী ধ্বংস করেছে ক্রেমলিন। আবার রুশ অধিকৃত ক্রাইমিয়ার সেতুকে এর সাহায্যে নিশানা করতে দেখা গিয়েছে কিভের জলযোদ্ধাদের।