সস্ত্রীক ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ‘অপহরণ’! রাজধানী কারাকাসের প্রাসাদ থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ডেল্টা ফোর্স। লাটিন (দক্ষিণ) আমেরিকার খনিজ তেলসমৃদ্ধ দেশটিতে এ-হেন মার্কিন আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মৌখিক ভাবে সরব হয়েছে রাশিয়া ও গণপ্রজাতন্ত্রী চিনের (পিপল্স রিপাবলিক অফ চায়না) মতো ‘মহাশক্তি’। যদিও ওয়াশিংটনকে চাপে ফেলার মতো কোনও পদক্ষেপ করেনি বেজিং বা মস্কো। কেন এই দ্বিচারিতা? এর নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ, বলছেন বিশ্লেষকেরা।
গত শতাব্দীর ‘ঠান্ডা লড়াই’-এর সময় দুনিয়ার চিত্রটা ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) — মোটামুটি ভাবে এই দুই জোটে বিভক্ত ছিল পৃথিবী। ফলে কোনও দেশ এক পক্ষের আগ্রাসনের শিকার হলেই অপর পক্ষ ছুটে আসত তাকে সাহায্য করতে। উহাহরণ হিসাবে কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সঙ্কট বা ভিয়েতনাম ও কোরীয় যুদ্ধের কথা বলা যেতে পারে। সোভিয়েত পতনে সেই অবস্থার আমূল বদল ঘটায় ওয়াশিংটনের যে সুবিধা হয়েছে, তা বলাই বাহুল্য।