বেঙ্গালুরু এফসি-র কাছে হারের ধাক্কা সামলে প্রবল ভাবে আই লিগ চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে ফিরে এল আইজল এফসি। যার ফলে চাপ বাড়ল খেতাব যুদ্ধে থাকা মোহনবাগানের।

শনিবার গোয়ায় চার্চিল ব্রাদার্সকে ৩-১ হারাল খালিদ জামিলের আইজল এফসি। ভাস্কোর তিলক ময়দানে এ দিন দুই অর্ধের শুরুতেই (৭ ও ৪৬ মিনিট) গোল করে আইজল এফসি-কে এগিয়ে দেন তাদের আইভরিয়ান স্ট্রাইকার কামো স্টিফেন বাইয়ি। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি চার্চিলের হয়ে অ্যান্থনি ডি’সুজা ব্যবধান কমালেও, ম্যাচের শেষ লগ্নে আইজলের হয়ে ৩-১ করেন লালদুনমাওউইয়া।

এ দিন আইজল জিতলেও লুধিয়ানায় মিনার্ভাকে হারিয়ে  ১৬ ম্যাচে ৩৩ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের শীর্ষে রইল মোহনবাগান-ই। সমসংখ্যক ম্যাচে আইজল ৩৩ পয়েন্টে থাকলেও গোলপার্থক্যে তারা দ্বিতীয়। ২২ এপ্রিল আইজলে খালিদ জামিলের দলের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচ মোহনবাগানের। সেই ম্যাচে যে দল জিতবে লিগ জয়ের দৌড়ে তারাই এগিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: রেহনেশের শাস্তি, ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন ইস্টবেঙ্গলে

সঞ্জয় সেনের টিমের চাপ আরও বাড়াচ্ছেন এ দিন আইজলের জোড়া গোলদাতা কামো স্টিফেন ওয়াইয়ি। গোয়া থেকে ফোনে খালিদ জামিলের দলের এই স্ট্রাইকার হুঙ্কার ছাড়ছেন, ‘‘চার্চিলের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করলেও আসল কাজটাই এখনও করা বাকি। পরের ম্যাচ মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। ওই ম্যাচটা আই লিগের ফাইনাল। মোহনবাগান ডিফেন্সের দুর্বলতা জানি। শুরু থেকেই সেই জায়গায় কামড় দেব। জিতলে আমরাই চ্যাম্পিয়ন। কাজেই ম্যাচটা  আমাদের কাছে ডু অর ডাই। নিজেদের সমর্থকদের সামনে আমরাই এগিয়ে থেকে মাঠে নামব।’’

আইজল কোচ খালিদ জামিল ও বলছেন, ‘‘মোহনবাগান আই লিগের অন্যতম শক্তিশালী দল। আমাদের বিরুদ্ধে অভিজ্ঞতা ওদের একটা বড় সম্পদ। আমাদের সমর্থকরা সে দিন দল বেধে মাঠে আসবেন। আমরা ফিফটি-ফিফটি বলেও সনিদের ছাড়ব না। সেটা এখনই বলে রাখছি।’’