গুরুর নাম স্টিভ ওয়। আসন্ন অ্যাশেজ সিরিজের জন্য অ্যারন ফিঞ্চদের উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্বে কিংবদন্তি অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার। আর স্টিভের এ হেন ভূমিকায় আগমনে আপ্লুত বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম সফল ক্রিকেটার অ্যালেক্স ক্যারি। বলেছেন, ‘‘স্টিভের মতো একজনকে দলে পাওয়া বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা।’’

ক্যারি আরও বলেছেন, ‘‘মনে হয় ন’টি অ্যাশেজে (আসলে আটটি) স্টিভ খেলেছেন। ইংল্যান্ডেও খেলার অভিজ্ঞতা প্রচুর। তাই ওঁর জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা এ বারের অ্যাশেজ সিরিজের আগে সে সব জানতে পারা শুধু আমার জন্যই নয়, গোটা অস্ট্রেলিয়া দলের কাছে বিশাল প্রাপ্তি। সত্যিই আমরা সৌভাগ্যবান।’’

বিশ্বকাপে ক্যারির খেলার প্রশংসা করেছিলেন স্টিভ। তাঁর সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মাইকেল হাসিরও। যা নিয়ে সাতাশ বছরের অস্ট্রেলীয় তারকার প্রতিক্রিয়া, ‘‘হাসি বিরাট ক্রিকেটার। ওর অর্ধেকও যদি হতে পারি, তা হলেই খুশি হব।’’

স্টিভ ওয়ের সঙ্গে সময় কাটাতে পারার অভিজ্ঞতায় মুগ্ধ ক্যারিকে এ দিন বলতে শোনা গেল, ‘‘ব্যক্তিগত ভাবে স্টিভকে আরও ভাল করে জানতে দ্রুত ওর সম্পর্কে সবকিছু শুনে নিয়েছি। হয়তো একটু তাড়াতাড়িই সব জেনেছি। স্টিভ এ বার আসল কাজটা শুরু করবেন। আসল কাজ মানে আমাদের পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবেন। ওঁর ক্রিকেট-বুদ্ধি নিয়ে কোনও আলোচনা হতে পারে না। এ’কদিন অস্ট্রেলিয়ার ওয়ান ডে ম্যাচ দেখে উনি নানা মতামত জানিয়েছেন। এর মধ্যে আমাদের মধ্যে অল্প কথাও হয়েছে। তবে লাল বলের ক্রিকেটে ওঁর পরামর্শের মূল্য বিশাল। টেস্টে যা আমাদের মনঃসংযোগ বাড়াতে অনেকটাই সাহায্য করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।’’

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেই সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেয় অস্ট্রেলিয়া। টুর্নামেন্টে ক্যারি নিজে ৩৭৫ রান করেন। যে রানের সৌজন্য ফিঞ্চদের গ্রুপের লিগ টেবলে দু’নম্বরে থাকা নিশ্চিত হয়। ক্যারি মনে করেন, এ বারের বিশ্বকাপ থেকে তিনি অনেক কিছুই শিখেছেন। ‘‘বিশ্বকাপে প্রতিটি ম্যাচই প্রায় আলাদা-আলাদা পরিবেশ এবং পরিস্থিতিতে খেলা হয়েছে। তাই অনেক কিছু নতুন বিষয় শিখেছি। শুধু তাই নয়, ওয়ার্নার (ডেভিড) ও স্মিথের (স্টিভ) সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়েছি। অন্য সিনিয়রদের সঙ্গেও ব্যাট করেছি। তাই বিশ্বকাপ আমাকে আরও অভিজ্ঞ করেছে,’’ মন্তব্য তাঁর।

এজবাস্টনে অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট শুরু ১ অগস্ট। ক্যারি বলেছেন, ‘‘টেস্টে ধৈর্য একটা বিরাট ব্যাপার। মনঃসংযোগ নষ্ট হলে চলবে না।’’