আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষে এখন বাংলাদেশের শাকিব আল হাসান। প্রথম দশে ভারতের একজন অলরাউন্ডারও নেই। শাকিবের শীর্ষে উঠে আসার মূলে আয়ার্ল্যান্ডে সম্প্রতি হওয়া তিন দেশের টুর্নামেন্টে ১৪০ রান ও দু’টি উইকেট পাওয়া। এই টুর্নামেন্টে দুটি হাফসেঞ্চুরিও তিনি করেন।

প্রথম দশে থাকা সফল অলরাউন্ডারদের তালিকায় দু’নম্বরে আছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। তিন নম্বরেও আফগানিস্তানেরই মহম্মদ নবি। প্রথম দশে পাকিস্তানেরও দু’জন অলরাউন্ডার আছেন। ইমাদ ওয়াসিম (৪) ও মহম্মদ হাফিজ় (৭)। ভারতীয়দের মধ্যে সেরা জায়গায় কেদার যাদব। তবে তিনি বারো নম্বরে। আর হার্দিক পাণ্ড্যর র‌্যাঙ্কিং কুড়ি। এ দিকে, বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরফি মর্তুজ়া মন্তব্য করলেন, ইংল্যান্ডে আসন্ন বিশ্বকাপে তাঁর দেশের বিরাট ভাল কিছু করা খুব কঠিন। আয়ার্ল্যান্ডে ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন হলেও মর্তুজ়া বলেছেন, ‘‘আমাদের পক্ষে বিশ্বকাপে দারুণ কিছু করা কঠিন কারণ প্রথম তিনটি ম্যাচই মারাত্মক শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলতে হবে।’’ ইংল্যান্ড রওনা হওয়ার আগে সাংবাদিকদের তিনি আরও বলেন, ‘‘প্রথম তিন ম্যাচে জেতাটাই সবচেয়ে বেশি শক্ত।’’ ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ কিন্তু দু’বার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে চমকে দেয়। মাশরফি বুঝতে পারছেন, এই সাফল্য তাঁর দেশের মানুষকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে। তা ছাড়া ২০১৭-র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতেও বাংলাদেশ সেমিফাইনালিস্ট। ‘‘শেষ পাঁচ-সাত বছরে আমাদের ম্যাচ থাকলেই প্রচুর বাংলাদেশের ভক্ত স্টেডিয়ামে ভিড় করছে। আমাদের জয় দেখা ছাড়া অন্য কিছু ওরা ভাবতেই পারে না,’’ বলেছেন মাশরাফি। বাংলাদেশ অধিনায়কের আরও কথা, ‘‘মনে রাখতে হবে, বিশ্বকাপটা কিন্তু একেবারে অন্যরকম টুর্নামেন্ট। হালফিলে ইংল্যান্ডে হওয়া ম্যাচগুলোর দিকে লক্ষ্য করুন। দেখবেন সব ম্যাচেই প্রায় প্রচুর রান উঠেছে। তাই ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ খেলতে হলে অন্য রকম মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে হবে।’’ বিশ্বকাপে কখনও চ্যাম্পিয়ন হয়নি বাংলাদেশ। তবে ২০১৫ সালে তারা কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল। সেই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকটি ম্যাচে তারা অঘটনও ঘটিয়েছে। এ বার বাংলাদেশকে প্রথম তিনটি ম্যাচ খেলতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজ়িল্যান্ড ও এই মুহুর্তে ওয়ান ডে র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বরে থাকা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে।