ন্যাশনাল ডোপ টেস্টিং ল্যাবরেটরি (এনডিটিএল)–এর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল আন্তর্জাতিক অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থা (ওয়াডা)। ছয় মাসের জন্য বজায় থাকবে এই নিষেধাজ্ঞা। এক বছরের মধ্যে শুরু হতে চলেছে টোকিয়ো অলিম্পিক। ওয়াডার এই সিদ্ধান্ত ভারতের অলিম্পিক অভিযানে খুব বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে ওয়াডা জানিয়েছে, জাতীয় অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থা (নাডা) এখনও ডোপ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করতে পারবে। কিন্তু নমুনা পরীক্ষা করানোর জন্য ভরসা রাখতে হবে ভারতের বাইরের ‘ওয়াডা’ নির্দিষ্ট পরীক্ষাগারের ওপর।

‘ওয়াডা’ জানিয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা আনার কারণ, তাদের তৈরি করা মানের সঙ্গে এনডিটিএল-এর মানের ফারাক। চলতি বছরের মে মাসে ওয়াডা তাদের নথিভুক্ত ল্যাবগুলির মান পরীক্ষা করে। সেই পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হয় ভারতের ল্যাবগুলি। এর পরেই নিষেধাজ্ঞা আনে ওয়াডা।

আরও পড়ুন: নাডার মাধ্যমেই এ বার কোহালিদের ডোপ পরীক্ষা, বিসিসিআইকে নির্দেশ কেন্দ্রের

আরও পড়ুন: পৃথ্বী উড়ে গেলেন ইংল্যান্ডে​

২০ অগস্ট থেকে ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞাজারি হলেও এনডিটিএল ২১ দিনের মধ্যে কোর্ট অব আর্বিট্রেশন ফর্ স্পোর্টস (সিএএস)-এ এর বিরুদ্ধে আবেদন জানাতে পারবে।

যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া মন্ত্রক কিছু দিন আগেই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ‘নাডা’-র অন্তর্ভুক্ত করে। অলিম্পিকের আগে প্রায় ৫০০০ পরীক্ষা করতে হবে নাডা-কে। এখন থেকে সমস্ত পরীক্ষা ভারতের বাইরে করতে হলে বাড়বে খরচও। ক্রীড়া আইনজীবী পার্থ গোস্বামী পিটিআই-কে বলেন, “নাডা পরীক্ষা চালিয়ে যেতে পারলেও তা ভারতের বাইরের ল্যাবে করতে হবে। তাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, কাতারের মতো দেশে করতে পারবে পরীক্ষা। যা বাড়িয়ে দেবে নাডা-র খরচ।”