ডোপ পরীক্ষায় ব্যর্থ হওয়ায় ক্রিকেট থেকে আট মাসের নির্বাসন। মানসিক ভাবে এই পরিস্থিতিতে নিজেকে উজ্জীবিত করার জন্য শনিবার ইংল্যান্ডে ছুটি কাটাতে গেলেন পৃথ্বী শ। 

শুক্রবারই জাতীয় ডোপ-বিরোধী সংস্থা নাডার আওতায় চলে এসেছে ভারতীয় বোর্ড। যে সিদ্ধান্তকে শনিবার স্বাগত জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজু। ক্রীড়ামন্ত্রী জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে ভারতীয় ক্রিকেট আরও উন্নতির পথে হাঁটতে চলেছে। 

প্রায় দশ বছরের চেষ্টার পরে নাডার আওতায় এল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যা নিয়ে রিজিজু বলছেন, ‘‘কোনও বিষয় নিয়ে যেন সন্দেহ না থাকে। স্বচ্ছ্ব ও সাবলীল ক্রীড়াজগত গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের। ’’

এত দিন সব দিক থেকেই স্বশাসিত সংস্থা ছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। অর্থকরীর কথা নিয়ে সে ভাবে ভাবতেও হয়নি। কিন্তু নাডার বিশ্বাস যোগ্যতা নিয়ে এত দিন প্রশ্ন ছিল ভারতীয় বোর্ডের। ক্রিকেট কর্তারা দাবি করতেন, নমুনা সংগ্রহের ক্ষেত্রে নাডা নিজেদের দ্বারা নিযুক্ত এজেন্সির উপরেই ভরসা রাখে। আগে যা মারাত্মক সব ভুল করেছে বলে অভিযোগ। কিন্তু শনিবার নাডা জানিয়েছে, বর্তমানে তাদের ভুলের সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে। 

নাডার ডোপ পরীক্ষা করার কোনও নির্দিষ্ট সময় নেই। হয়তো গভীর রাতে কোনও ক্রিকেটারকে ঘুম থেকে উঠিয়েও ডোপ পরীক্ষা করা হতে পারে। সারা দিন তিনি ম্যাচ খেললেও কিছু শোনা হবে না। নাডা যখন ডাকবে, তখনই উপস্থিত হতে হবে।