প্রথম ম্যাচেই আটকে গেল গত বারের চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু এফসি। নেপথ্যে, নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি-র গোলরক্ষক শুভাশিস রায়চৌধুরী।

গত মরসুমে বেঙ্গালুরুর কান্তিরাভা স্টেডিয়ামেই আইএসএল সেমিফাইনালের দ্বিতীয় পর্বে নর্থইস্টকে চূর্ণ করেছিলেন সুনীলেরা। কিন্তু সোমবার ছবিটা সম্পূর্ণ বদলে গেল। প্রত্যাশিত ভাবেই এ দিন ঘরের মাঠে প্রবল বৃষ্টির মধ্যে দুর্দান্ত শুরু করেছিল বেঙ্গালুরু। ১৯ মিনিটে সুনীলের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। দু’মিনিট পরে কিছুটা গতির বিরুদ্ধেই এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল বলিউড তারকা জন আব্রাহামের দল নর্থইস্ট। কিন্তু মার্তিন চাভেসের শট বাঁচিয়ে দেন বেঙ্গালুরু গোলরক্ষক গুরপ্রীত সিংহ সাঁধু। ২৭ মিনিটে সামনে একা বিপক্ষের গোলরক্ষককে পেয়েও অবিশ্বাস্য ভাবে বাইরে মারেন বেঙ্গালুরুর উদান্ত সিংহ। ৩৫ মিনিটে ঘানার হয়ে চারটি বিশ্বকাপে খেলা নর্থইস্টের আসামোয়া গিয়ানের গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। 

দ্বিতীয়ার্ধেও শুরু থেকে আক্রমণের ঝড় তোলেন সুনীল, উদান্তরা। কিন্তু তাঁদের সামনে প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান শুভাশিস। ৬৬ মিনিটে শরীর শূন্যে ভাসিয়ে অবিশ্বাস্য দক্ষতায় এক হাতে নিশু কুমারের শট বাঁচান বাঙালি গোলরক্ষক। ম্যাচের পরে তৃপ্ত শুভাশিস বলেছেন, ‘‘বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে খেলার সময় সব দলই চিন্তিত থাকে। শেষ পর্যন্ত কোনও গোল না খেয়ে ম্যাচটা ড্র করে ফিরতে পারায় আমরা তৃপ্ত। এই এক পয়েন্টের মূল্য অনেক।’’ তবে ম্যাচের সেরা সুযোগ নষ্ট করেন আসামোয়া। ৫২ মিনিটে তাঁর শট ক্রসবারে ধাক্কা খায়।

বেঙ্গালুরু এফসি: গুরপ্রীত সিংহ সাঁধু, নিশু কুমার, রাহুল ভেকে, হুয়ান গঞ্জালেস, হরমনজ্যোৎ সিংহ খাবরা (ইউজেনসন লিংডো), দিমাস দেলগাদো, রাফায়েল আগুস্তো, উদান্ত সিংহ, আশিক কুরিয়ান, মানুয়েল ওনৌ (কেন লুইস) ও সুনীল ছেত্রী।

নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসি: শুভাশিস রায়চৌধুরী, রেগান সিংহ, হেরিংস কাই, মিসলাভ কোমোরোস্কি, রাকেশ প্রধান, লালথাথাঙ্গা খোয়লরিং, খোসে লিউদো, রেডিম তালাং, নিখিল কদম (নিনথই মিতেই), মার্তিন চাভেস, আসামোয়া গিয়ান (ম্যাক্সি বারেইরো)।