একের পর এক লড়াইয়ে জিতে চলেছেন তিনি। তাও আবার এই ৪২ বছর বয়সে! যদিও লিয়েন্ডার এক সময় বলেছিলেন, বয়সটা কোনও ফ্যাক্টর নয়। আসল হল পরিশ্রম। সত্যিই এই পরিশ্রমকে সঙ্গী করেই পর পর খেতাব জেতার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছেন তিনি। তাঁর সাম্প্রতিক উদাহরণ এ বছরের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন এবং রবিবারের উইম্বলডন খেতাব।  

লিয়েন্ডার সোমবার বলেন, “ হিঙ্গিজের সঙ্গে উইম্বলডন খেতাব জয় তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য।”

খেতাব জেতার সফর শুরু করেছিলেন ১৯৯৯-এ ফরাসি ওপেনে ডাবলস জিতে। তার পর আর ফিরে তাকাতে হয়নি ভারতীয় টেনিসের এই অন্যতম যোদ্ধাকে। ডাবলস ও মিক্সড ডাবলসে ফরাসি ওপেন, অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ইউএস ওপেন-এ বাজিমাত করেছেন তিনি।

যত বয়স গড়িয়েছে ততই যেন জ্বলে উঠেছেন তিনি। ৪২ বছর বয়সে এসেও জিতেছেন অস্ট্রেলীয় ওপেন এবং উইম্বলডন। টেনিস সাধারণত শক্তি ও অসম্ভব ফিটনেসের খেলা। এই বয়সে দাঁড়িয়েও লিয়েন্ডার যে পারফরম্যান্স করে যাচ্ছেন তা দেখে বিশ্ব টেনিসমহল স্তম্ভিত।

এটি লিয়েন্ডারের অষ্টম মিক্সড ডাবলস খেতাব জয়। এর মধ্যে হিঙ্গিজের সঙ্গে জুটি বেঁধে জিতেছেন অস্ট্রেলীয় ওপেন এবং উইম্বলডন।

এই বয়সেও লি-এর অসম্ভব পারফরম্যান্সের রহস্যটা কোথায়?

২০১২-য় অস্ট্রেলীয় ওপেনের ডাবলস খেতাব জেতার পর এই প্রশ্নটাই উঠে এসেছিল। তখন এক টেনিস বিশেষজ্ঞ এর ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন। তাঁর মতে কোনও রহস্য-টহস্য কিছু নয়। লি-এর ঈশ্বরপ্রদত্ত ফিটনেস রয়েছে। এ ছাড়া যে দু’টো গুণ তাঁর এই সাফল্যের অন্যতম কারণ তা হল— খুব সহজ-সরল জীবন যাপন। ঘড়ি ধরে যোগাভ্যাস আর নিখুঁত ডায়েট।