• নিজস্ব প্রতিবেদন
সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে

জয় দিয়ে ক্রিকেট ফিরল পাকিস্তানে

World XI Cricketers
অভিনব: পাকিস্তানে টি-টোয়েন্টি ম্যাচে নামার আগে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ব একাদশের ক্রিকেটাররা। ছবি: এএফপি

এই লাহৌরেই ২০০৯-এ শ্রীলঙ্কার টিমবাসে জঙ্গিহানার পর পাকিস্তানের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল ক্রিকেটবিশ্ব। সেই লাহৌরের মাটিতেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরল। বিশ্ব একাদশ বনাম পাকিস্তান একাদশ লড়াই দিয়ে ক্রিকেট ফিরল পাকিস্তানে। যে সিরিজে থাকছে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। প্রথম ম্যাচ ছিল মঙ্গলবার, যাতে পাকিস্তান জিতল ২০ রানে।

এই ম্যাচ ঘিরে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল সারা লাহৌর জুড়ে। আগেই বলা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। স্টেডিয়ামও চলে যায় কমান্ডোদের দখলে। ফাফ ডুপ্লেসি, হাসিম আমলা, তামিম ইকবাল, ডারেন স্যামি— বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রিকেটাররা এসেছেন পাকিস্তানে। এ দিন খেলা শুরুর আগে দেখা যায় মাঠে অটো রিকশা চাপিয়ে ঘোরানো হয় ক্রিকেটারদের।

টস জিতে পাকিস্তানকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ডুপ্লেসি। ২০ ওভারে পাকিস্তান তোলে ১৯৭-৫। পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ রান তিন নম্বরে নামা বাবর আজমের। তিনি করে যান ৫২ বলে ৮৬। মারেন ১০টি বাউন্ডারি এবং দু’টো ওভারবাউন্ডারি।

আরও পড়ুন:শূন্যে ভাসার মন্ত্র শঙ্করকে শেখালেন তরুণ ‘স্যার’

দ্বিতীয় উইকেটে আহমেদ শেহজাদের সঙ্গে ১২২ রান যোগ করেন আজম। শেহজাদ করেন ৩৯। কিন্তু বিশ্ব একাদশ ২০ ওভারে ১৭৭-৭-এর বেশি তুলতে পারেনি। সৌজন্যে ইমাদ ওয়াসিম, সোহেল খান ও ফাহিম আশরফদের আঁটসাঁট বোলিং। যাঁদের বিরুদ্ধে ব্যাট চালিয়ে রানই তুলতে পারেননি বিশ্ব দলের ব্যাটসম্যানরা। সবচেয়ে বেশি ২৯ রানের ইনিংস খেলেন অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি ও ড্যারেন স্যামি। দু’টি করে উইকেট অবশ্য পান শাদাব খান, রুমান রইস ও সোহেল।  পাকিস্তানে আসার আগে বিশ্ব একাদশের ক্রিকেটারেরা দুবাইয়ে কয়েক দিন প্র্যাকটিস করে এসেছিলেন। এখানে এসে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক ডুপ্লেসি বলেছেন, ‘‘পাকিস্তানে ক্রিকেট ফেরানোর পিছনে যে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তাতে সামান্য হলেও যে কিছু ভূমিকা রাখতে পেরেছি, তাতে আমরা খুশি। এখানে কারও কোনও ইগো, কারও সম্মানের প্রশ্ন
জড়িয়ে নেই।’’

পাকিস্তানে ক্রিকেট ফেরায় খুশি ক্রিকেট দুনিয়ার নামীরাও। ভিভ রিচার্ডস খেলা শুরুর আগে টুইট করেন, ‘‘কয়েক মিনিটের মধ্যেই ক্রিকেট জিততে চলেছে।’’ মাইকেল ভন লেখেন, ‘‘পাকিস্তানে ক্রিকেটের নেশাটাই অসাধারণ।’’ এই স্টেডিয়ামে বহু ম্যাচ খেলা রামিজ রাজার মন্তব্য, ‘‘লাহৌর কাঁপছে। গ্যালারি ভর্তি।’’ ড্যারেন স্যামি স্টেডিয়ামে ঢোকার সময় তোলা ভিডিও পোস্ট করে লেখেন, ‘‘খেলার চেয়েও বেশি কিছু’’। ম্যাচের পরে শোয়েব আখতার টুইট করেন, ‘‘বেঁচে থাকো পাকিস্তান। চ্যাম্পিয়নদের মতো ব্যাটিং করলে। যোদ্ধাদের মতো বোলিং করলে।’’

সবাই যা পড়ছেন

সব খবর প্রতি সকালে আপনার ইনবক্সে
আরও পড়ুন

সবাই যা পড়ছেন

আরও পড়ুন