স্বার্থ সঙ্ঘাতের অভিযোগ নিয়ে বোর্ডের অম্বাডসমান ডি কে জৈনের সঙ্গে মঙ্গলবার দেখা করলেন সচিন তেন্ডুলকর। তবে প্রথম শুনানি থেকে ইতিবাচক কোনও সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসেনি। আগামী ২০ মে ফের শুনানির দিন ধার্য হয়েছে।

গত ২৪ এপ্রিল প্রাক্তন ভারত অধিনায়কের বিরুদ্ধে স্বার্থ সঙ্ঘাতের অভিযোগ তুলে অম্বাডসমানের কাছে লিখিত আবেদন করেছিলেন মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার সদস্য সঞ্জয় গুপ্ত। তিনি জানান, বোর্ডের ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটিতে থাকার পরেও কী ভাবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন সচিন। এবং একই অভিযোগ আনা হয়েছিল আর এক প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার ভি ভি এস লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে।

 স্বার্থ সঙ্ঘাতের অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে সচিন ১৩ পাতার বিশাল চিঠি লিখেছিলেন জৈনকে। যেখানে তিনি বোর্ডের অম্বাডসমানের কাছে অনুরোধ করেন, ক্রিকেট প্রশাসকদের কমিটির (সিওএ) প্রধান বিনোদ রাইকে এই প্রশ্ন করতে যে, ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটিতে তাঁদের প্রকৃত ভূমিকা কী। সেই চিঠিতে সরাসরি বিনোদ রাইদের দিকে আঙুল তুলে সচিন পাল্টা অভিযোগ জানান, আজ তাঁদের বিরুদ্ধে যে ভাবে স্বার্থ সঙ্ঘাতের অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার জন্য বোর্ডের প্রশাসকরাই দায়ী। তাঁরাই ক্রিকেট পরামর্শদাতা কমিটিতে সচিনদের ভূমিকা কী, তা স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করতে পারেননি। পাশাপাশি সচিন ওই চিঠিতে আরও জানান, মুম্বই ইন্ডিয়ান্স দলে তাঁর কোনও বিশেষ পদ নেই এবং তিনি দল পরিচালনা সংক্রান্ত কোনও বিষয়ের সঙ্গেই যুক্ত নন। তিনি শুধুমাত্র দলের নতুন ক্রিকেটরদের সামান্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তা হলে কী করে তাঁর বিরুদ্ধে স্বার্থ সঙ্ঘাতের অভিযোগ তোলা হল।

মঙ্গলবার অম্বাডসমানের সঙ্গে দেখা করার পরে পরিস্থিতি ফের পাল্টে গিয়েছে। তাঁকে জানানো হয়েছে, এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ২০ মে। সেই শুনানিতে সচিন উপস্থিত না থাকলেও চলবে।