ইরানি কাপে রঞ্জি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন বিদর্ভকে লড়াইয়ে রাখলেন উইকেটকিপার অক্ষয় ওয়াডকার। প্রথম ইনিংসে তাঁর হাফ সেঞ্চুরিই দলকে ক্রমশ অবশিষ্ট ভারতীয় দলের তোলা রানের (৩৩০) দিকে এগোচ্ছে। বুধবার দ্বিতীয় দিনের শেষে ২৪৫-৬ তুলেছে তারা। অর্থাৎ ৮৫ রানে পিছিয়ে। বৃহস্পতিবার প্রথম ইনিংসে এগোনোই বিদর্ভের ব্যাটসম্যানদের বড় চ্যালেঞ্জ। 

গত বার ইরানি কাপে প্রথমে ব্যাট করে আটশো রান তুলেছিল বিদর্ভ। ওয়াসিম জাফরের ডাবল সেঞ্চুরি ছাড়াও তাঁর আরও দুই সতীর্থ সেঞ্চুরি করেছিলেন। এ বার ইরানি কাপ নাগপুরে একই মাঠে হলেও ব্যাটসম্যান নয়, বোলারদের দাপটই দেখা যাচ্ছে। প্রথম দিন বিদর্ভের স্পিনাররা সাত উইকেট নেন। বুধবার দ্বিতীয় দিনেও অবশিষ্ট ভারতীয় দলের দুই স্পিনার কৃষ্ণাপ্পা গৌতম ও ধর্মেন্দ্রসিংহ জাডেজা দু’টি করে উইকেট নিয়ে রঞ্জি চ্যাম্পিয়নদের চাপে ফেলে দেন। 

উমেশ যাদব যেমন চোটের জন্য এই ম্যাচে খেলতে পারছেন না, তেমনই ব্যাটিংয়ের প্রধান ভরসা ওয়াসিম জাফরেরও চোট। যার ফলে এই ম্যাচে নেই রঞ্জি ট্রফিতে দলের সবচেয়ে বেশি রান করা ব্যাটসম্যান। বুধবার ব্যাট করতে নেমে বিদর্ভের দুই ওপেনার অধিনায়ক ফৈয়জ় ফজ়ল (২৭) ও সঞ্জয় রামস্বামী (৬৫) শুরুতে ৫০ রানের পার্টনারশিপ গড়লেও তাতে ধাক্কা দেন অফস্পিনার গৌতম। তিনি ফজ়লকে ফেরানোর পরে রামস্বামীকে ভরসা জোগাতে পারেননি অথর্ব তাইডেও (১৫)। 

প্রলয়ের ১৫০ রান: সিএবি প্রথম ডিভিশন ক্রিকেট লিগের প্রথম দিন জর্জ টেলিগ্রাফের বিরুদ্ধে ১৫০ রান করেন রাজস্থান ক্লাবের প্রলয় দে। অন্য দিকে ভবানীপুর মাঠে জোড়া সেঞ্চুরি মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবের দুই ব্যাটসম্যানের। ১০৭ করেন রহমত গায়েন। ১০২ রানে অপরাজিত মুস্তাকুর নওয়াজ়। ওয়াইএমসিএ-র বিরুদ্ধে ১১৪ রানে অপরাজিত ঐক্য সম্মিলনীর সম্বিত রায়। মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া ম্যাচে কাস্টমসের বিরুদ্ধে আট উইকেটে জেতে পাইকপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব। বেলগাছিয়া ইউনাইটেডকে ১২৫ রানে হারায় মিলন সমিতি।