Follow us on

Download the latest Anandabazar app

© 2021 ABP Pvt. Ltd.

Advertisement

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ই-পেপার

খেলা

বিরাটের দলের প্রধান নির্বাচক কে হতে পারেন? চর্চায় এই তিনজন...

নিজস্ব প্রতিবেদন
১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ১৩:০৩
এমএসকে প্রসাদের জায়গায় কে হবেন জাতীয় নির্বাচকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান? ভারতীয় ক্রিকেটে এখন এই নিয়ে চলছে জল্পনা। ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেও দিয়েছেন যে প্রসাদের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছে। তাই প্রধান নির্বাচক বেছে নেওয়া হবে। সম্ভাব্য প্রধান নির্বাচক হিসেবে ভেসে উঠছে বেশ কিছু নাম।

ক্রিকেটার হিসেবে প্রসাদ খেলেছিলেন ছয় টেস্ট ও ১৭ ওয়ানডে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশিদিন না খেলার জন্য প্রাক্তন ক্রিকেটারদের তোপের মুখে বার বার পড়তে হয়েছে প্রসাদকে। তবে ২০১৬ থেকে ২০১৯, তিনি প্রধান নির্বাচক থাকার সময়ে বিরাট কোহালির নেতৃত্বে ভারতীয় ক্রিকেট দল কম সাফল্য পায়নি।
Advertisement
২০১৫ সালে প্রাক্তন অলরাউন্ডার রজার বিনির জায়গায় জাতীয় নির্বাচক হয়েছিলেন প্রসাদ। ২০১৬ সালে তিনি সন্দীপ পাটিলের জায়গায় নির্বাচকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। যা নিয়ে সেই সময় বিতর্ক হয়েছিল। কিন্তু প্রসাদ বরাবর তাঁর দিকে ছুটে আসা সমালোচনাকে পাল্টা আক্রমণ করেছিলেন।

লক্ষ্মণ শিবরামকৃষ্ণান: প্রসাদের জায়গায় প্রধান নির্বাচক হিসেবে উঠে আসছে লক্ষ্মণ শিবরামকৃষ্ণানের নাম। তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটের সঙ্গে রীতিমতো পরিচিত। কারণ, ধারাভাষ্যকার হিসেবে তাঁকে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে হয় মাঠে। ফলে, কোন ক্রিকেটার কেমন, তা নিয়ে একটা ধারণা রয়েইছে।
Advertisement
লক্ষ্মণ শিবরামকৃষ্ণান: আর ক্রিকেটার হিসেবেও দুর্দান্ত প্রতিভাবান হিসেবে চিহ্নিত ছিলেন লেগস্পিনার শিবরামকৃষ্ণন। ১৭ বছর ১১৮ দিন বয়সে সেই সময় ভারতের কনিষ্ঠতম ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হয়েছিল টেস্টে। আটের দশকে খেলেছেন নয় টেস্ট ও ১৬ ওয়ানডে। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশিদিন স্থায়ী হননি তিনি।

বীরেন্দ্র সহবাগ: প্রসাদের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচকদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অভিযোগ ছিল আন্তর্জাতিক আসরের অনভিজ্ঞতা। পাঁচ নির্বাচক মিলে মোট খেলেছিলেন ১৩ টেস্ট। এর মধ্যে দু’জন অবশ্য টেস্ট খেলেনইনি। আর তিনজনে মিলে খেলেছিলেন মোট ৩১ একদিনের ম্যাচ। সহবাগ প্রধান নির্বাচক হলে এই অভিযোগ উড়ে যাবে গ্যালারিতে।

বীরেন্দ্র সহবাগ: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার দিক দিয়ে তুলনা হয় না নজফগড়ের সচিনের। ১০৪ টেস্ট ও ২৫১ ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। যাতে যথাক্রমে ৮৫৮৬ ও ৮২৭৩ রান করেছেন। প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টে ট্রিপল সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। ক্রিকেটার হিসেবে বীরুর পারফরম্যান্সই সমীহ কেড়ে নেবে সবার।

বীরেন্দ্র সহবাগ: তিনি ভারতের প্রাক্তন অধিনায়কও। চার টেস্ট, ১২ ওয়ানডে এবং একটি টি-টোয়েন্টিতে জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। ফলে, তাঁর অভিজ্ঞতা বাকি সবার চেয়ে এগিয়ে। আর ধারাভাষ্যকার হিসেবেও ক্রিকেটজগতের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছেন তিনি। তবে নির্বাচক হতে হলে ধারাভাষ্য ছাড়তে হবে তাঁকে।

ভেঙ্কটেশ প্রসাদ: কোচ হিসেবে খেলা ছাড়ার পর দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন ভেঙ্কটেশ প্রসাদ। কর্নাটকের মিডিয়াম পেসার টিম ইন্ডিয়ারও কোচ হয়েছিলেন। তা ছাড়া আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, কিংস ইলেভেন পঞ্জাবেরও কোচ হয়েছিলেন। ধারাভাষ্যও দেন তিনি। জুনিয়র নির্বাচকমণ্ডলীর চেয়ারম্যানও ছিলেন প্রসাদ।

ভেঙ্কটেশ প্রসাদ: ২০১৮ সালে ভারতের অনূর্ধব-১৯ দল বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেই দলের প্রধান নির্বাচক ছিলেন প্রসাদ। কিন্তু কিংস ইলেভেন পঞ্জাবের কোচ হওয়ার জন্য দায়িত্ব ছাড়েন তিনি। কেরিয়ারে ৩৩ টেস্ট ও ১৬১ একদিনের ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ২০১৬ সালে প্রধান কোচের পদের জন্য আবেদন করেছিলেন প্রসাদ।