শনিবার আমেরিকাকে হারিয়ে টি২০ বিশ্বকাপে অভিযান শুরু করেছে ভারত। সূর্যকুমার যাদবের দল জিতেছে ৩৫ রানে। সেই ম্যাচের সেরা ফিল্ডার হয়েছেন রিঙ্কু সিংহ। ম্যাচের পর তিনি জানিয়েছেন, ভারতীয় দলের জন্য একটি বিশেষ মন্ত্র ঠিক করে দিয়েছেন গম্ভীর। কী ভাবে খেলতে হবে, তা বলে দিয়েছেন।
আমেরিকার বিরুদ্ধে ব্যাট হাতে সাফল্য না পেলেও ফিল্ডিংয়ে দলকে সাহায্য করেছেন রিঙ্কু। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রান বাঁচিয়েছেন। ১৬তম ওভারে ডিপ মিড উইকেটে ঝাঁপিয়ে পড়ে সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তির ক্যাচ নেন, যা ভারতের জয়ের পথ সুগম করে দেয়।
ম্যাচের পর সাজঘরে সূর্যকুমার ঘোষণা করেন সেরা ফিল্ডারের নাম। তাঁর গলায় পদক পরিয়ে দেওয়া হয়। সেই মুহূর্তের ভিডিয়ো পোস্ট করে বিসিসিআই। সেখানে রিঙ্কু গোটা দলের উদ্দেশে বলেছেন, “হ্যালো টিম ইন্ডিয়া। সবে প্রতিযোগিতা শুরু হল। এই মানসিকতা গোটা প্রতিযোগিতা জুড়েই বজায় রাখতে হবে আমাদের। আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে হবে। একে অপরের পাশে থাকতে হবে। জিজি স্যর (গৌতম গম্ভীর) সব সময় বলেন, ভয়ঙ্কর ক্রিকেট খেলো।”
আমেরিকার বিরুদ্ধে রিঙ্কু ব্যাট করতে নেমেছিল ৪৬/৪ স্কোরে। শুরুর দিকে তিনি ধরেই খেলছিলেন। তবে চেষ্টা করেও ব্যাটে বল লাগাতে পারছিলেন না। অনেক বেশি বল হজম করছিলেন। শেষ পর্যন্ত চালিয়ে খেলতে গিয়ে আউট হন। ১১ বলে ৫ রান করেন।
উল্লেখ্য, ম্যাচের সেরা হয়ে সূর্য বলেছিলেন, “আমি জানতাম এটা ১৮০-১৯০ রানের উইকেট নয়। ১৪০ রানের উইকেট। ১৪ ওভারের পর গৌতি ভাই মাঠে গিয়ে আমাকে বলে, ‘তোকে শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে। তুই থাকলে শেষ দিকে রান হয়ে যাবে।’ গৌতি ভাই আমার উপর ভরসা দেখিয়েছে। সেই ভরসার দাম দিতে পেরেছি।”
আরও পড়ুন:
ওয়াংখেড়েকে হাতের তালুর মতে চেনেন সূর্য। মুম্বইয়েই খেলে বড় হয়েছেন তিনি। সূর্য দেখিয়েছেন, এই উইকেটে কী ভাবে খেলতে হয়। চেনা উইকেটে খেলার সুবিধার কথা শোনা যায় সূর্যের গলাতেও। তিনি বলেন, “আমি মুম্বইয়ে সারা জীবন খেলেছি। এখানকার আজাদ ময়দান, ক্রস ময়দানে অনেক ম্যাচ খেলেছি। আমি জানি, এখানকার উইকেটে কী ভাবে খেলতে হবে। কী ভাবে মানিয়ে নিতে হবে। ৭৭ রানে ৬ উইকেট পড়ে গিয়েছিল। আমি জানতাম শেষ পর্যন্ত থাকতে হবে। আমি শুধু বল গুণছিলাম। যতটা পেরেছি বেশি বল খেলার চেষ্টা করেছি।”