ভারতীয় ক্রিকেটারদের উচ্ছ্বাস। — ফাইল চিত্র।
বড় ব্যাটারেরা সবাই ফিরে যাওয়ায় শেষের দিকে আর কেউই দাঁড়াতে পারলেন না। তবে অলআউট হল না দক্ষিণ আফ্রিকা। ২০১-৮ স্কোরে শেষ হল তাদের ইনিংস।
বুমরাহের বলে চালিয়ে খেলেছিলেন জানসেন। ব্যাট-বলে সূক্ষ্ম স্পর্শ হয়েছিল। সঞ্জুর জোরাজুরিতে রিভিউ নেন সূর্য। কাজে লাগল সেই রিভিউ।
বলটা নিচু হয়ে এসেছিল। সজোরে ব্যাট চালিয়েও নাগাল পেলেন না লিন্ডে। বোল্ড হয়ে গেলেন তিনি।
বিপজ্জনক মিলারকে ফেরালেন অর্শদীপ। দক্ষিণ আফ্রিকাকে জেতানোর মতো ক্রিকেটার কেউ নেই, যদি না কেউ অলৌকিক কোনও ইনিংস খেলে দেন।
বরুণের প্রথম বল বুঝতেই পারলেন না ডোনোভান। বল ভেঙে দিল স্টাম্প। তবে হ্যাটট্রিক করতে পারলেন না বরুণ।
বরুণের বলে পা মুড়ে সুইপ খেলতে গিয়েছিলেন মার্করাম। বল সোজা লাগল প্যাডে। আম্পায়ার আঙুল তুলে দেন। রিভিউ নিয়েও লাভ হল না।
ধাক্কা দিলেন সেই বুমরাহই। বোলারের হাতেই ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন ডি কক। ৩৫ বলে ৬৫ করে আউট ডি কক।
মাঝে একটি উইকেট পড়ায় রান তোলার গতি কমেছিল। আবার তা বেড়ে গিয়েছে। হার্দিক পর পর বাউন্ডারি হজম করছেন।
৩০ বলে ৫০ করলেন প্রোটিয়া ওপেনার। ভারতের বিরুদ্ধে আবার ব্যাট হাতে সফল তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকা ৮৩-১।
বরুণের বলে ফ্লিক করেছিলেন। বাঁ দিকে একটু লাফিয়ে এক হাতে ক্যাচ ধরে নিলেন বরুণ।
পাওয়ার প্লে-তে কোনও উইকেট না হারিয়েই ৬৭ রান তুলে ফেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। অর্শদীপ সিংহ খুবই খারাপ বল করেছেন। কিছুটা সামাল দিয়েছেন বুমরাহ।
শেষ ওভারে হার্দিক এবং তিলক আউট হলেন। দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে ২৩২ রানের লক্ষ্য দিল ভারত।
বার্টম্যানের বল ওয়াইড হল। তবে রান নেওয়ার জন্য আগেই দৌড়েছিলেন তিলক। আর ফিরতে পারেননি। ডি ককের ছোড়া বল ধরে বার্টম্যান রান আউট করলেন তিলককে।
শেষ ওভারে আউট হলেন হার্দিক। বার্টম্যানের বলে তাঁর ক্যাচ নিলেন হেনড্রিক্স।
১৬ বলে অর্ধশতরান করলেন হার্দিক। এই মাঠে একসময় আইপিএলে প্রচুর ম্যাচ খেলেছেন। সেই ফর্মের ঝলক দেখা যাচ্ছে এই ম্যাচে। কোনও প্রোটিয়া বোলারকেই রেয়াত করছেন না তিনি।
ভারত ২০২-৩।
থামানো যাচ্ছে না হার্দিককে। জর্জ লিন্ডের এক ওভারে ২৭ রান এল। একটি ছয় মারলেন তিলক। হার্দিক দু’টি ছয় এবং দুটি চার মারলেন।
ভারত ১৫৮-৩।
কিছুতেই ফর্মে ফিরতে পারছেন না সূর্যকুমার। পঞ্চম ম্যাচে আউট হলেন মাত্র পাঁচ রানে। তিনি আউট হতেই হতাশ মুখ দেখা গেল গম্ভীরের। বশের বলে মিলারের হাতে ক্যাচ দিলেন তিনি।
ভাল শুরু করেও অর্ধশতরান পেলেন না সঞ্জু। লিন্ডের দ্রুতগতির বল পিছিয়ে গিয়ে খেলতে গিয়েছিলেন। লেংথ বুঝতে না পেরে বোল্ড হয়ে গেলেন। ২২ বলে ৩৭ করলেন তিনি।
সঞ্জুর সোজা শট বোলার ডোনোভানের হাতে লেগে আম্পায়ারের হাঁটুতে লাগে। পা ধরে মাটিতে বসে পড়েছেন তিনি। যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসক ছুটে এলেন চিকিৎসা করতে।
বশের বল পুল করতে গিয়েছিলেন অভিষেক। জমা পড়ে উইকেটকিপারের হাতে। আম্পায়ার আউট দিলেও রিভিউ নেন অভিষেক। সেখানেও হালকা কম্পন ধরা পড়ে। ফলে ৩৪ রানে ফিরতে হল অভিষেককে।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy