মুকুল চৌধরি। ছবি: পিটিআই।
মুকুল চৌধরীর ২৭ বলে ৫৪ রানে হারল কেকেআর। জেতা ম্যাচ ফস্কে গেল রাহানেদের হাত থেকে। অনামি ব্যাটার বুঝিয়ে দিলেন, নিজের উপর ভরসা রাখলে যে কোনও লক্ষ্য় পূরণ করা সম্ভব।
নারাইনের বলে আউট শামি। আইপিএলে প্রথম বিদেশি হিসেবে ২০০ উইকেট নিলেন নারাইন।
লখনউকে ভরসা জোগাচ্ছিলেন বাদোনি। অর্ধশতরান করে খেলছিলেন তিনি। ৫৪ রানের মাথায় তাঁকে আউট করেন অনুকূল। ১২৫ রানে লখনউয়ের ষষ্ঠ উইকেট পড়ে।
২ রান করে অনুকূল রায়ের বলে আউট আব্দুল সামাদ। ১০৪ রানে লখনউয়ের পঞ্চম উইকেট পড়ল।
আরও একটি ম্যাচে রান পেলেন না নিকোলাস পুরান। ১৫ বলে ১৩ রান করে কার্তিক ত্যাগীর বলে আউট তিনি। ৯৫ রানে চতুর্থ উইকেট পড়ল লখনউয়ের।
নারাইনের বলে রান নেওয়া কঠিন হচ্ছে। দশম ওভারে মাত্র ১ রান দেন তিনি।
চলতি আইপিএলে প্রথম বার বল করতে এলেন গ্রিন। দ্বিতীয় বলেই পন্থকে (১০) আউট করলেন তিনি। তৃতীয় উইকেট হারাল লখনউ।
তিন বলের মধ্যে দুই উইকেট নিলেন বৈভব। মার্করামের পর মিচেল মার্শকেও আউট করলেন তিনি। ১৫ রান করে আউট মার্শ। ৪২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারাল লখনউ।
বৈভব অরোরার বলে ২২ রান করে আউট এডেন মার্করাম। ৪১ রানে প্রথম উইকেট হারাল লখনউ।
প্রথম দু’ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়েছিল কেকেআর। কিন্তু তৃতীয় ওভারে নবদীপ সাইনিকে নিশানা করল লখনউ। তাঁর এক ওভারে এল ১৮ রান।
গ্রিন ২৪ বলে ৩২ ও পাওয়েল ২৪ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকলেন।
হাত খুলতে পারছিলেন না। অবশেষে ১৯তম ওভারে মহম্মদ শামির বলে ছক্কা মারেন গ্রিন। তার পর তাঁর মুখ দেখে বোঝা যায়, হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছেন তিনি।
গ্রিন হাত খুলতে না পারলেও পাওয়েল চেষ্টা করছেন। কয়েকটি বড় শট মেরে রান তোলার গতি কিছুটা বাড়িয়েছেন তিনি।
শেষ পাঁচ ওভারে মাত্র ১৫ রান হয়েছে। গ্রিন ও পাওয়েলকে দেখে মনে হচ্ছে, টেস্ট খেলতে নেমেছেন। তাঁদের একটার পর একটা ডট বল দেখে বিদ্রুপ করছেন ইডেনের দর্শকেরা।
পর পর উইকেট হারাচ্ছে কেকেআর। এ বার আবেশ খানের বলে ৪ রান করে বোল্ড রিঙ্কু। ১১১ রানে চতুর্থ উইকেট পড়ল কেকেআরের। রান তোলার গতি থমকে গিয়েছে। সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে লখনউ।
পর পর উইকেট পড়ায় কেকেআরের রান তোলার গতি কমছে। স্পিনারদের বিরুদ্ধে হাত খুলতে সমস্যা হচ্ছে। শেষ দু’ওভারে মাত্র ৮ রান হয়েছে। একটিও বাউন্ডারি মারতে পারেনি কেকেআর।
রান তোলার গতি কমে যাওয়ার খেসারত দিতে হল রঘুবংশীকে। সিদ্ধার্থের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ৪৫ রান করে ফিরলেন তিনি। ১০৫ রানে তৃতীয় উইকেট হারাল কেকেআর।
৪১ রান করে আউট রাহানে। দিগ্বেশ রাঠীর বলে জোরাল শট মেরেছিলেন তিনি। কিন্তু বল সরাসরি মহম্মদ শামির কাছে যায়। সামনের দিকে ঝুঁকে ভাল ক্যাচ ধরেন শামি। ৯৯ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারাল কেকেআর।
রাহানে ২৩ বলে ৪১ ও রঘুবংশী ২৯ বলে ৪২ রানে খেলছেন।
আবেশ খানের বল কভারের উপর দিয়ে খেলার চেষ্টা করেন রাহানে। বল মারার পর তাঁর হাত থেকে ব্যাট ছিটকে যায়। তবু বল বাউন্ডারির বাইরে গিয়ে পড়ে। এই শট দেখে অবাক হয়ে যান ধারাভাষ্যকারেরাও।
Or
By continuing, you agree to our terms of use
and acknowledge our privacy policy
We will send you a One Time Password on this mobile number or email id
Or
By proceeding you agree with our Terms of service & Privacy Policy